আদানি গ্রুপের 'শেয়ারে কারচুপি' নিয়ে হিন্ডেনবার্গের প্রতিবেদন প্রকাশের পর গ্রুপটির শেয়ারমূল্যের পতন কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। অব্যাহত পতনের কারণে গ্রুপটি মাত্র ৮ দিনে ১০ হাজার কোটি ডলার খুইয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে গ্রুপটি তাদের নতুন দুই হাজার ৫০০ কোটি ডলারের শেয়ার ছাড়ার এফপিও-ও (ফলো অন পাবলিক অর্ডার) স্থগিত করেছে। এরপরও বৃহস্পতিবার গ্রুপটির বিভিন্ন শেয়ারের দর ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমে গেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানায় রয়টার্স।
হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রতিবেদন বলছে, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে শেয়ার কারসাজি এবং আর্থিক লেনদেনে প্রতারণা চালিয়ে আসছে আদানি গ্রুপ। কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দর বহুগুণ বাড়িয়ে এ গ্রুপ বিশাল সম্পদ গড়েছে। গত কয়েক বছরে আদানি গ্রুপের শেয়ার ৫০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। আদানির বড় ধরনের শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনার (এফপিও) মধ্যেই গত সপ্তাহে মঙ্গলবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ পায়। এরপর বুধবার ভারতে পুঁজিবাজার খোলার পর আদানির শেয়ারে দরপতন শুরু হয়। শুক্রবার হয় ভরাডুবি। এ পতন 'স্কুল ড্রপআউট' থেকে বিলিওনেয়ার হওয়া আদানিকে এশিয়ার শীর্ষ ধনীর স্থান থেকে ছিটকে দেয়।
তিনি ধনীদের তালিকায় ১৬তম স্থানে নেমে গেছেন বলে বৃহস্পতিবার জানায় ফোর্বস; অথচ এক সপ্তাহ আগেও তিনি ছিলেন তালিকার তিন নম্বরে।
