বাংলাদেশে নিযুক্ত চার দেশের রাষ্ট্রদূত, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের নেতৃত্বে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল নোয়াখালীর হাতিয়ায় ভাসানচর পরিদর্শন করেছে।
ভাসানচরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের জীবনমানের সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মারি মাসদুপুই, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত হেরু হারতান্তো সুবোলো, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের প্রতিনিধি জোহানেস ভ্যান ডার ক্লাউ, বিশ^ খাদ্য কর্মসূচির ইনচার্জ সিমোন পার্চমেন্ট গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হেলিকপ্টারে ভাসানচরে পৌঁছান।
একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলটিও ভাসানচরে পৌঁছে। প্রতিনিধিদলে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুল হাসান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. সালাহউদ্দিন, মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব মো. কায়ছারুল ইসলাম, পরিচালক-৯ মোহাম্মদ নাজমুল হক, পরিচালক-১৪ ডা. মোহাম্মদ মহিবুল হাসান। এ সময় চট্টগ্রাম নেভাল এরিয়া কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, ভাসানচর (আশ্রয়ণ-৩) প্রকল্প পরিচালক এবং ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।
ভাসানচর থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত চার দেশের রাষ্ট্রদূতসহ প্রতিনিধিদলটি সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় বিভিন্ন শেল্টার হাউজে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে তাদের সুযোগ-সুবিধা, জীবনযাত্রার মানসহ নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন তারা। প্রতিনিধিদলটি সেখানকার ২০ শয্যার হাসপাতাল পরিদর্শন এবং কে-ক্রাফট গার্মেন্টসে কর্মরত রোহিঙ্গাদের বুনন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে। এ ছাড়া এই গার্মেন্টসের উৎপাদন, বিপণন ও মজুরি প্রদান প্রক্রিয়া সম্পর্কে খোঁজখবর নেয় তারা। বিকেল ৪টার দিকে তারা ভাসানচর ছাড়ে।
