হঠাৎ করে আঘাত পেলে কী করবেন

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২৩, ১২:০৭ এএম

অসাবধানতাবশত হঠাৎ আঘাত পেলে শরীরের ওই নির্দিষ্ট জায়গায় অতিরিক্ত চাপ পড়লে ফুলে যায়। এ ধরনের আঘাতে সফট বা নরম টিস্যু ইনজুরি হয়। আঘাত হাত-পায়ে, কোমরে বা শরীরের অন্য জায়গার মাংসপেশিতে, হাড়ে, জয়েন্টে নার্ভ, লিগামেন্টের অবস্থানগত পরিবর্তনের জন্য ব্যথা হয়। আবার কেউ মাথায়ও আঘাত পেতে পারে, যার ফলে বাহ্যিক-অভ্যন্তরীণ দুই ধরনেরই ক্ষতি হতে পারে। একেক জায়গার আঘাতে চিকিৎসার ধরন পরিবর্তিত হয়ে থাকে। সব আঘাতই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু মাথায় আঘাত সবসময় বেশি গুরুত্ব বহন করে।

হাতে-পায়ে আঘাত পেলে : হঠাৎ যেসব আঘাতগুলো পেয়ে থাকে কোনো দুর্ঘটনায় আঘাত, খেলাধুলার সময় আঘাত, মাংসপেশিতে হঠাৎ টান কিংবা পা পিছলে পড়ে গেলে। এসব কারণে সফট টিস্যু ইনজুরি হয়। আঘাতের তীব্রতা বেশি হলে হাড় ভেঙে যেতে পারে। হাড় ভেঙে গেছে সন্দেহ হলে অবশ্যই তা এক্স-রে করে দেখতে এবং চিকিৎসা নিতে হবে।

করণীয় : কম ধারালো বস্তু দিয়ে আঘাত পেলে সেই স্থানটি ফুলে যায়, ব্যথা হয়, লাল বা কালো হয়, নড়াচড়ায় অসুবিধা হয়। অনেক সময় আঘাতের কারণে নার্ভ ইনজুরি হয়। এটি কিন্তু মারাত্মক একটি সমস্যা।

প্রথম অবস্থায় ঠান্ডা বা বরফ দেওয়া। আঘাতের অংশ বিশ্রামে রাখা। প্রচুর পানি পান করা। স্বল্পমাত্রায় ব্যথানাশক ওষুধের ব্যবহার করা। বুকে বা মাথায় অথবা পেটে আঘাত পেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

হাতে বা পায়ে ছুলে গেলে সাধারণত চামড়া উঠে বা ছিঁড়ে খুব বেশি গভীর হয় না। ময়লা বা ধুলাবালু আটকানো থাকে। অল্প রক্তপাত হতে পারে, বিশেষ করে প্রেশার পয়েন্ট বা হাড়ের ওপরের অংশে। প্রথমে নরমাল স্যালাইন দিয়ে পরিষ্কার করে অ্যান্টিসেপটিক সলিউশন লাগাতে হবে। গভীরতা বেশি হলে প্রথম এক-দুদিন ড্রেসিং দিয়ে ঢেকে রাখা ভালো। তবে কখনোই ড্রেসিং বেশিদিন দেওয়া ঠিক নয়। অনেক সময় ক্ষতের গভীরে চামড়ার নিচে রক্ত জমাট বাঁধে, যা ড্রেসিং তৈরির মাধ্যমে চামড়ার পচন ধরায়। সে ক্ষেত্রে ছোট করে কেটে রক্ত বের করে দেয়া ভালো। সে ক্ষেত্রে টিকা নিয়ে নেওয়া উচিত।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত