রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাদলের গ্রুপ ওয়াগনারের প্রধান প্রিগোজিনকে বহনকারী বিমানের ধ্বংসস্তূপ ও ঘটনাস্থল থেকে ফ্লাইট রেকর্ডার এবং ১০টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়া।
শুক্রবার এ খবর জানায় বিবিসি নিউজ।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মৃতদেহগুলো শনাক্ত করতে জেনেটিক পরীক্ষা করা হচ্ছে।
বুধবার মস্কোর উত্তরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি বোমা বা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে, এমন ধারণা করা হচ্ছে।
কিন্তু ক্রেমলিন প্রিগোজিনকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিল, এমন দাবি ‘পুরোপুরি মিথ্যা’ বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ।
শুক্রবার সাংবাদিকদের সাথে ফোনে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বিবিসিকে বলেন, রাশিয়ার রাজধানীর উত্তর-পশ্চিমে তিভিয়ের অঞ্চলে বুধবারের বিমান দুর্ঘটনায় ১০ আরোহীর সবার ‘শোচনীয়’ মৃত্যু নিয়ে ‘নানা অনুমান’ ছড়িয়েছে।
এ সময় তিনি জানান, "অবশ্যই, এসব অনুমান বা জল্পনা একটি নির্দিষ্ট কোণ, পশ্চিম থেকে আসে। এগুলো সবই পুরোপুরি মিথ্যা।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের কাছে এই মুহুর্তে অনেক তথ্য নেই, সরকারি তদন্তের মধ্য দিয়ে প্রকৃত ঘটনাটি স্পষ্ট করে জানা দরকার, যেটি এখন চলছে।“
এক সময় পুতিনের খুবই ঘনিষ্ঠ শেফ ছিলেন প্রিগোজিন। কিন্তু গত জুনে প্রিগোজিনের নেতৃত্বে কয়েক হাজার ওয়াগনার যোদ্ধার বিদ্রোহের কারণে তাদের দুজনের সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়। প্রেসিডেন্ট পুতিন ওই বিদ্রোহকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে অভিহিত করেন।
কিন্তু তখনই অনেক পর্যবেক্ষক প্রিগোজিনকে (৬২) ‘মৃত মানুষ’ বলে অভিহিত করেছিলেন, তাদের যুক্তি ছিল, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কখনোই ওয়াগনারের প্রধানকে ক্ষমা করবেন না।
এদিকে প্রিগোজিনের মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে উল্লেখ করে পেন্টাগন বলেছে যে তারা বিশ্বাস করে ওয়াগনার প্রধান সম্ভবত হত্যা হয়েছেন।
