বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরে টানা নয়দিন ধরে চলা বিক্ষোভ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনার পরিসমাপ্তি হয়েছে। বুধবার (১ নভেম্বর) গাজীপুরের কোথাও শ্রমিকদের বিক্ষোভ হয়নি। বুধবারও গাজীপুরের অধিকাংশ পোশাক কারখানা বন্ধ ছিল। তবে দুপুরের পর অনেক কারখানায় কাজ শুরু হয়।
গতকাল মঙ্গলবার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন চেম্বার এন্ড কমার্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট মো. জাহাঙ্গীর আলম ৪৩টি শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
বুধবার সকালে মহানগরীর ভোগড়া এলাকার রুয়া ফ্যাশন নামে একটি গার্মেন্টসে শ্রমিকরা ভাঙচুরের চেষ্টা চালালে পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এর পর আর কোথাও কোন বিক্ষোভ ও আন্দোলনের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে জাহাঙ্গীর আলম সকালে গাজীপুরের চন্দ্রা মোড়, সফিপুর, মৌচাক, কোনাবাড়ি, চান্দনা চৌরাস্তা, বোর্ড বাজার ও টঙ্গী চেরাগআলী এলাকায় গিয়ে শ্রমিক ও তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। সকলের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন এ মাসের মধ্যে সরকার একটি মজুরি কাঠামো গঠন করে শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধি করবে। তাই সরকাকে কিছু দিন সময় দিতেই হবে। এজন্য আন্দোলন না করে সবাই যেন নিজ নিজ কারখানায় কাজে যোগদান করেন।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের কাঁধে ভর কোন কোন রাজনৈতিক দল যেন ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালানোর কোনো সুযোগ না পায় সে দিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এ ছাড়া যে কোনো সহিংস ঘটনা প্রতিরোধ মহানগরীর ৫৭টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সতর্ক পাহারায় থাকবে।
তিনি পোশাক কারখানার সকল মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান তারা যেন শ্রমিকদের ন্যায্য বেতনটা প্রদান করেন।
