প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই সপ্তাহে এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি নিজেরাও আলাদা বৈঠকে বসবেন। গত সোমবার (১৩ নভেম্বর) হোয়াইট হাউস সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে। ধারণা করা হচ্ছে, দুই শক্তিধর দেশের নেতারা, নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং চলমান বিরোধ হ্রাসে আলোচনা করবেন।
এপেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে সান ফ্রান্সিসকো সফর করছেন শি জিনপিং। বুধবার সান ফ্রান্সিসকোতে মুখোমুখি বৈঠকের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেন মনে করেন দুই দেশের জটিল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে মুখোমুখি বৈঠকের বিকল্প নেই।
সুলিভান আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামীকালের আলোচনাটি ফলপ্রসূ হবে এবং আলোচনায় নিজেদের মধ্যে যোগাযোগে উন্নয়ন, সংঘর্ষ প্রশমনে আলোচনা করবেন দুই নেতা।
উল্লেখ্য, এমন একটি সময় দুই নেতা আলোচনায় বসছেন, যখন সারাবিশ্বজুড়ে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে। একদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আরেকদিকে ইসরায়েল- ফিলিস্তিন যুদ্ধ। এছাড়া আবার চায়নার সাথে তাইওয়ানের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতো আছেই। আশা করা হচ্ছে, এপেক ফোরামে নেতারা মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধ নিয়েও কথা বলবেন।এপেকের সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা ম্যাট মারে সোমবার সাংবাদিকদের বলেছেন, ইউক্রেন ও ইসরায়েলের পক্ষে এপেক নেতাদের বক্তব্য নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে তারা।
সুলিভান জানান, এপেকে বাইডেন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল সম্পর্কে তার অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করবেন। এছাড়াও কীভাবে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তৈরি করা যায় এ বিষয়েও আলোচনা করবেন।