মানসম্মত হোটেলের সঙ্গে সিনেপ্লেক্স বাড়ছে

আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০২৪, ০৫:২৬ পিএম

সিনেমা হলশূন্য শহর ছিল রাজশাহী। একটি বিভাগীয় শহর অথচ কোনো সিনেমা হল নেই। এটা বিস্মিত করেছিল সিনেমাপ্রেমীদের। সেই আক্ষেপ ঘুচেছে বছরখানেক আগেই। দেশের সর্ববৃহৎ সিনেপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্স তাদের যাত্রা শুরু করেছে রাজশাহীতে। এবার সে যাত্রায় শামিল হলো রাজশাহীর গ্র্যান্ড রিভারভিউ হোটেল। এবার তারা চালু করল একটি সিনেপ্লেক্স। যেখানে ফুডকোর্টসহ অন্যান্য সুবিধাও রয়েছে। সিনেপ্লেক্সটি যাত্রা শুরু করেছে

রবিবার দুপুরে শহরের সিঅ্যান্ডবি মোড়ের বিভাগীয় পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে নতুন এই সিনেপ্লেক্স যাত্রা শুরু করেছে। গ্র্যান্ড রিভারভিউ হোটেলের এক্সিকিউটিভ মাহাদী হাসান শুভ বললেন, ‘ফুডকোর্ট ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে আমাদের এই সিনেপ্লেক্সের যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রথমে একটি থিয়েটার দিয়ে যাত্রা শুরু হলেও আমাদের আরেকটি থিয়েটার নির্মাণাধীন। শিগগির এর কাজ শেষ হবে।’

মানসম্মত হোটেলের সঙ্গে সিনেমা হল, দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের নতুন প্রবণত লক্ষ করা যাচ্ছে। এর আগে বগুড়ার পাঁচ তারকা হোটেল মম ইনের সঙ্গে একটি সিনেপ্লেক্স চালু করা হয়। সেখানে নিয়মিত ভিত্তিতে সিনেমা প্রদর্শন শুরু হয়। এরপর দেখা যায় সিলেটেও। সেখানেও গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে নির্মিত হয় ‘গ্র্যান্ড সিলেট সিনেপ্লেক্স।’ এটিও যাত্রা শুরু করে ২০২২ সালের জুলাইয়ে।

এই নিয়ে দেশের তিনটি হোটেলে সিনেপ্লেক্স যুক্ত হলো। জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আর বেশ কয়েকটি হোটেলে সিনেপ্লেক্স চালু হচ্ছে। গ্র্যান্ড সিলেট সিনেপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক রবিন সাহা মনে করেছেন দেশের আধুনিক ও উন্নতমানের হোটেলগুলোতে এই ব্যবস্থা থাকা উচিত। অতিথিরা প্রথমে দেখতে চান কী কী সুবিধা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা খেয়াল করলাম সিলেট শহরে বিনোদনের তেমন মাধ্যম নেই। আমরা চিন্তা করলাম অতিথিদের জন্য এ রকম ব্যবস্থা রাখা দরকার একই সঙ্গে সিলেটবাসীও যেন উপভোগ করতে পারে। সেভাবেই আমরা এই সিনেপ্লেক্স চালু করেছি।

রবিন সাহা বলেন, ‘যারা এখন হোটেল নির্মাণ করছেন তারা বুঝতে পারছেন বিনোদনের জন্য এই ব্যবস্থা প্রয়োজন। কেননা একজন অতিথি সব ধরনের সুবিধার খোঁজ করেন। এ কারণে এখন যারা হোটেল নির্মাণ করছেন তারা সিনেপ্লেক্সের বিষয়টি মাথায় রাখছেন, সামনে এটার সংখ্যা ক্রমেই বাড়বে।’

ঠিক একইভাবে হোটেলের সঙ্গে সিনেপ্লেক্স নির্মাণাধীন অবস্থায় রয়েছে বলে জানালেন বাংলাদেশ প্রদর্শক সমিতির (হল মালিক সমিতি) সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল। তিনি বললেন, ‘আমরা নির্মাণাধীন পাঁচ তারকা ও তিন তারকা হোটেলগুলোতে সিনেমা হল বানানোর জন্য উৎসাহ দিচ্ছি। সিলেট, রাজশাহীর পরে আমরা রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবে নির্মাণাধীন হোটেলে সিনেমা হল বানানোর চেষ্টায় আছি। এ ছাড়াও ফরিদপুর, খুলনা ও দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে হোটেলের জন্য সিনেপ্লেক্স পাব।’

ফুলবাড়ীতে উর্বশী সিনেমা হল ভেঙে সেখানে বহুতল মাল্টি কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে। এই কমপ্লেক্সে তিনতলা-চারতলা হোটেল ও পাঁচ তলায় সিনেপ্লেক্স থাকবে। থাকবে দুটি থিয়েটার। বিষয়টি নিশ্চিত করে এর কর্ণধার খুরশিদ আলম বললেন, ‘আমরা কমপ্লেক্সের কাজ শুরু করেছি। কিছু কাজ বাকি আছে। আমাদের এখানে হোটেল, দুটি থিয়েটারের সিনেপ্লেক্স ও কনভেনশন হল থাকবে, থাকবে মার্কেটও।’

৬০০তম পর্বে বকুলপুর সিজন ২

নতুন বছরের সূচনালগ্নে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি ২০২৪ রাত ৮টায় দীপ্ত টিভিতে প্রচার হতে যাচ্ছে দর্শকপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক বকুলপুর সিজন-২ এর ৬০০তম পর্ব। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, ৬০০তম পর্বে থাকবে চেয়ারম্যান দীবা ও দীবা নন্দিনীর অস্তিত্বের তীব্র দ্বন্দ্ব। কে টিকে যাবে এই দ্বন্দ্বে? চেয়ারম্যান দীবা নাকি দীবা নন্দিনী? চেয়ারম্যান দীবার জন্য মিষ্টি আনতে গিয়ে বৈরাম খাঁর বাধার মুখে পড়ে উগান্ডা। শেষ পর্যন্ত উগান্ডা কি পারবে মিষ্টি নিয়ে চেয়ারম্যান দীবার কাছে পৌঁছুতে? সব মিলিয়ে টান টান উত্তেজনায় ভরা থাকতে ৬০০তম পর্ব।
স্বপ্নীল প্রোডাকশন্সের প্রযোজনায় নির্মিত নাটকটি রচনা করেছেন আহমেদ শাহাবুদ্দীন। কায়সার আহমেদের পরিচালনায় বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুজাতা আজিম, আজিজুল হাকিম, আনিসুর রহমান মিলন, আ খ ম হাসান, নাদিয়া আহমেদ, শ্যামল মওলা, লাবণ্য লিজা, সাজু খাদেম, ওয়ালিউল হক রুমি, নাবিলা ইসলাম, ফারজানা ছবি, টুটুল চৌধুরী, বিনয় ভদ্র, মুকুল সিরাজ, ওবিদ রেহান, তানভীর মাসুদ, আইনুন নাহার পুতুল, ম আ সালাম, এমিলা হক, আইরিণ আফরোজ, হেদায়েত নান্নু, ডেভোরা কুইয়া, ইমরান হাসো প্রমুখ। নাটকের লাইর প্রোডিওসার কিশোর খন্দকার।  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত