সাঁতার কাটতে গিয়ে হাঙরের কবলে নারী, অতঃপর

  • সিডনির এক জাহাজ ঘাটের কাছে সাঁতার কাটছিলেন ২৯ বছর বয়সী কায়কার লরেন ওনিল, সেই সময় হাঙরের কবলে পরেন তিনি
  • সিডনি হারবার সাধারণত বুল শার্কের জন্য একটি সুপরিচিত গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল হলেও এই এলাকায় শার্কের আক্রমণ বিরল
আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:৩১ পিএম

অস্ট্রেলিয়ায় সূর্যাস্তের সময় সাঁতার কাটতে গিয়ে হাঙরের আক্রমণের কারণে গুরুতর আহত হয়েছেন একজন নারী। স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় সিডনি হারবারে সাঁতাররত অবস্থায় ওই নারীর পায়ে কামড় দিয়ে আহত করে হাঙর।

মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম দ্যা টেলিগ্রাফ ও বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিডনির আইকনিক অপেরা হাউস থেকে ২ কিমি (১.২ মাইল) এরও কম দূরে, ২৯ বছর বয়সী কায়কার লরেন ওনিল জাহাজ ঘাটের কাছে সাঁতার কাটছিলেন। সেই সময়ই হাঙরের কবলে পরেন তিনি।

বুল শার্কের আঘাতে আহত লরেন ওনিল

পরবর্তীতে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায় যে, লরেন ডান পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছে।

কামড়ের চিহ্নের উপর ভিত্তি করে কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞরা বলছে যে আক্রমণটি বুল শার্ক অর্থাৎ ষাঁড় হাঙর দ্বারা হয়েছে।

সিডনি হারবার সাধারণত বুল শার্কের জন্য একটি সুপরিচিত গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল, তবে এই এলাকায় শার্কের আক্রমণ বিরল।

প্রতিবেশী মাইকেল পোর্টার সংবাদ মাধ্যম সিডনি মর্নিং হেরাল্ডকে (এসএমএইচ) জানান যে, স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ তিনি বাইরে সাহায্যের জন্য চিৎকার শুনতে পান। তিন বাসার বাইরে বের হয়ে দেখেন যে লরেন জাহাজ ঘাট থেকে আহত অবস্থায় সিঁড়ি বেয়ে উঠার চেষ্টা করছে।

স্থানীয় একজন পশুচিকিৎসক প্যারামেডিকরা না আসা পর্যন্ত তার ক্ষত থেকে রক্তপাত বন্ধ করার জন্য ব্যান্ডেজ করে দিয়েছিলেন।

টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, লরেন সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন, সেখানে তার পায়ে অস্ত্রোপচার করা হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

অস্ট্রেলিয়ায় অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি হাঙর আক্রমণের ঘটনা ঘটে থাকে। তবে মারাত্মক আক্রমণ খুব বিরল।

অস্ট্রেলিয়ান হাঙর-ইনসিডেন্ট ডেটাবেস অনুসারে গেল বছর ১৪টি হাঙর আক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল, যার মধ্যে চারটি ছিল প্রাণঘাতী।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত