সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

জার্মানির স্কুলে বাংলা ভাষা অন্তর্ভুক্তির দাবি 

আপডেট : ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:৪৯ পিএম

হামবুর্গে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শীতকালীন পিঠা উৎসব উদযাপন করেছে জার্মান প্রবাসীরা। এই আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল প্রবাসে বাংলা শেখার স্কুল বর্ণমালার প্রথম সমাবর্তন। ১৯৭২ সালে নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ সমিতি এ. ফাও’র উদ্যোগে হামবুর্গের হরনার ফ্রাইহাইট মিলনায়তনে সম্প্রতি এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

এদিন মিলনায়তনে ছিল হরেক স্বাদের পিঠা-পায়েসের পসরা। স্টলগুলোর মধ্যে ছিল বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত জার্মান সন্তানদের প্রজন্ম চত্বর, বর্ণমালা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বর্ণমালার টং, হাসিনা মাহবুবের মেজবান, রহিমা আক্তারের শখের রান্না, তানিয়া আহমেদের সাথী’জ ডিলাইটস, লিপি হোসেনের রান্নাঘরের চা বিলাস এবং বাংলাদেশ সমিতির লাল-লাল-সবুজের আড্ডা। চিতই পিঠা, নকশি পিঠা, ভাপা পিঠা, পাটি সাপটা, মালপোয়া কিছুই বাদ যায়নি এই আয়োজনে।

এ ছাড়া শাড়ি-গয়না নিয়ে ফারজানা শওকত শাহ রীনের শাড়ি কথন বাই নিনিয়া স্টলেও কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করেছে অতিথিরা। আয়োজনটি সাজানো হয়েছিল তিনটি পর্বে। প্রথম পর্বে একুশের গান, ছড়া, কবিতা, চিঠিপত্র আর কথা মালা। সুমাইয়া ও শ্রাবণের যৌথ উপস্থাপনায় এতে স্থানীয় শিল্পীরা অংশ নেন।

দ্বিতীয় পর্বে বাংলাদেশ সমিতি এ. ফাও’র সভাপতি মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সহসভাপতি জাহিদ আল আমীন। সাধারণ সম্পাদক ইসমে আজম সমিতির নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। তৃতীয় পর্বে বর্ণমালা স্কুলে দুই বছর বাংলা শেখার কোর্স সম্পন্ন করা প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়।

বর্ণমালার পরিচালক রবিউল এইচ চৌধুরী ও সৈয়দ মারজান উল হাসানের উপস্থাপনায় সমাবর্তনে বক্তারা জার্মানির বিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যসূচিতে বাংলা ভাষার অন্তর্ভুক্তি চান। পাশাপাশি জার্মানিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রবাসী ও অভিবাসী প্রজন্মকে বাংলা শেখানোর তাগিদে ২০২২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সমিতি এ. ফাও’র উদ্যোগে বর্ণমালা স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত