স্বামীর সঙ্গে শেষ কথা হয় ১০টা ৫ মিনিটে, তারপর সব শেষ

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৪, ১০:১১ এএম

রাজধানীর বেইলি রোডের বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠছে ঢাকা মেডিকেলের আশপাশের পরিবেশ। থামছে না কান্নার রোল। প্রিয়জনদের মরদেহ ধরে বিলাপ বিলাপ করতে কেউ কেউ মূর্ছা যাচ্ছেন। আবার কেউ মর্গ থেকে লাশ নিয়ে যাচ্ছেন চিরদিনের জন্য।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে নিহতদের মরদেহ হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে। সেখানেই সকাল থেকে প্রিয়জনের মরদেহের জন্য অপেক্ষা করছেন নিখোঁজদের আত্মীয়-স্বজন।

সরেজমিনে দেখা যায়, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়ে জরুরি বিভাগ এবং বার্ন ইউনিটের সামনে স্বজনরা অপেক্ষা করছেন। অনেকেই প্রিয়জনের স্মৃতি স্মরণ করে বিলাপ করছেন।

আগুন লাগা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামের খাবারের দোকান রয়েছে। সেখানের কর্মচারী জুয়েলের স্ত্রী রেবা আক্তার বলেন, রাত দশটা পাঁচ মিনিটে শেষ কথা হয়েছিল। এরপর অনেক ফোন করেছি, কিন্তু ফোন রিসিভ করেননি। এখন স্বামীর মরদেহ পেলাম। আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেল।

আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া ২৯ জনের মরদেহ স্বজনদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনাক্ত হওয়া বেশ কয়েকটি মরদেহ হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে। মরদেহ হস্তান্তর কার্যক্রম সহজ করতে জরুরি বিভাগের সামনে ঢাকা জেলা প্রশাসনের তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত