বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ছিলেন না পাথুম নিশাঙ্কা। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে দলের সঙ্গে বাংলাদেশে আসতে পারেননি তিনি। চোট কাটিয়ে ওয়ানডে দলে ফিরেছেন তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচেই নিজের জাত চিনিয়ে খেলেছেন ১১৩ বলে ১১৪ রানের ইনিংস। চতুর্থ উইকেটে চারিথ আসালাঙ্কাকে নিয়ে গড়েছেন ১৮৫ রানের জুটি। মূলত এই জুটিতেই বড় জয়ের ভিত পেয়ে যায় লঙ্কানরা। ম্যাচ শেষে নিশাঙ্কাকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন দলটির ব্যাটিং কোচ থিলিনা কান্দাম্বি।
তিনি বলেছেন, 'আসলে এই দুই ব্যাটার গত কয়েক মাস ধরে রান করে যাচ্ছে। তারা ধারাবাহিকভাবে রান করছে। বিশেষ করে নিশাঙ্কা আফগানিস্তানের সাথে ডাবল সেঞ্চুরি করেছে। পরে আরেকটি সেঞ্চুরি করেছে। আজকে আরও একটি করল। সে বেশ ধারাবাহিক। সময়ের সাথে সাথে দারুণ পরিপক্ক একজন ক্রিকেটার হয়ে উঠছে।'
গত বিশ্বকাপের পর থেকেই বড়সড় পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা। দলে সুযোগ পেয়েছেন একাধিক তরুণ ক্রিকেটার। তারা নিজেদের মানিয়ে নেয়ার জন্য খুব বেশি সময়ও পাননি। তবে ধীরে ধীরে দলটির প্রাণভোমরা হয়ে উঠছেন তারাই। ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করে টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার প্রতিদানও দিচ্ছেন তারা।
আগামী বছরের শুরুতে হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলা হচ্ছে না শ্রীলঙ্কার। তারা এখন থেকেই ২০২৭ বিশ্বকাপের দল গোছানো শুরু করে দিয়েছে। কান্ডাম্বির আশা, আগামী বিশ্বকাপ আসতে আসতে এই দলের ৪-৫ জন থাকবে, যাদের একশোর বেশি ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা থাকবে।
তিনি বলেন, 'আসলে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। কারণ আরও ৩ বছর আছে পরের ওয়ানডে বিশ্বকাপের। আমি নিশ্চিত নির্বাচকদের প্ল্যান রয়েছে। যদি প্ল্যানিং ঠিকঠাক থাকে তাহলে পরের বিশ্বকাপে দেখা যাবে অন্তত ৪-৫ জন থাকবে যারা ১০০ ওয়ানডে খেলেছে। সর্বশেষ বিশ্বকাপে এটি হয়নি। আমাদের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার দরকার, এরা আরও ভালো করবে।'
