ইসরায়েলে আবারও প্রকাশ্যে গভীর রাজনৈতিক বিভাজন। গত ৭ অক্টোবর হামাসের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর এই বিরোধ কিছু সময়ের জন্য বন্ধ ছিল। তবে এখন আবারও ইসরায়েলের রাস্তায় হাজার হাজার বিক্ষোভকারী নেমে এসেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চান।
সম্প্রতি জেরুজালেমের রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে পুলিশকে জল কামান থেকে গুলি ও স্প্রে করতে দেখা যায়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সরকারবিরোধী বিভিন্ন ধরনের শ্লোগান দিচ্ছিল। পাশাপাশি গাজায় বন্দি ১৩৪ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি নিশ্চিতে চুক্তির করার আহ্বান জানান।
যদিও বন্দীদের মধ্যে অজ্ঞাত সংখ্যক এরই মধ্যে মারা গেছে। তাদের বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের আশঙ্কা, চুক্তি ছাড়া এই যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে বন্দীরা তত বেশি মারা যাবে।
রবিবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় ইসরায়েলি পার্লামেন্টের চারপাশে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেন। এর মধ্যে একজন ছিলেন কাতিয়া অ্যামোরজা। তার ছেলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে কর্মরত। এখন দায়িত্ব পালন করছেন গাজায়।
বিক্ষোভ চলাকালীন তিনি হ্যান্ড মাইকে বলেন, আজ সকাল আটটার পর থেকে আমি এখানে আছি। নেতানিয়াহুকে বলতে চাই, দেশ ছাড়ার জন্য আমি আপনাকে একটি প্রথম শ্রেণির টিকিট দিতে পারলে খুশি হব। আপনি চলে যান, এদেশে ফিরবেন না। একইসঙ্গে সেই সব লোকদের নিয়ে যান, যাদের সরকারে বসিয়েছেন। তারা আমাদের সমাজের সবচেয়ে খারাপ মানুষ।
যদিও অনেক ইসরায়েলি বিশ্বাস করেন, নেতানিয়াহুই একমাত্র ব্যক্তি যে তার দেশকে নিরাপদ রাখতে পারেন। তার নিরাপত্তা প্রধান এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, বিক্ষোভকারীরা ভুল করছে। নেতানিয়াহু কখনোই কোনো দায় এড়াননি।
সূত্র: বিবিসি
