বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

রেকর্ডে এবার নিজেদেরকেই ছাড়িয়ে গেলেন হেড-ক্লাসেনরা

আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১০:১৫ পিএম

মুম্বাইয়ের বিপক্ষে যেদিন দলীয় সর্বোচ্চ ২৭৭ রানের কীর্তি গড়েছিলেন হায়দরাবাদ ব্যাটসম্যানরা, সেদিন কী তারা ভেবেছিলেন কদিন বাদেই নিজেদের রেকর্ড আবার চূর্ণ করবেন? আজ তাই হলো। রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ২০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে হায়দরাবাদের রান ৩ উইকেটে ২৮৭। যা আইপিএলতো বটেই ফ্রাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এ ম্যাচে বাড়তি পাওনা ট্রাভিস হেডের ৩৯ বলে সেঞ্চুরি, যা আইপিএল ইতিহাসের চতুর্থ দ্রুততম।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের কীর্তি এটি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৩ উইকেটে ৩১৪ রান করেছিল নেপাল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সেটিই সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ

রান

দল

প্রতিপক্ষ

৩১৪/৩

নেপাল

মঙ্গোলিয়া

২৮৭/৩

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

২৭৮/৩

আফগানিস্তান

আয়ারল্যান্ড

২৭৮/৪

চেক রিপাবলিক

তুরস্ক

২৭৭/৩

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

মুম্বাই ইন্ডিয়ানস

 

আইপিএলে চলতি মৌসুমেই রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সর্বোচ্চ দলীয় রানের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল হায়দরাবাদ।   ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৬৩ রান করেছিল আরসিবি। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে ২৭৭ রান করে হায়দরাবাদ।

অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের কীর্তি মেলবোর্ন স্টারসের ২ উইকেটে ২৭৩। ২০২২ আসরে হোবার্ট হারিকেনের বিপক্ষে ম্যাক্সওয়েল ঝড়ে এ রান করেছিল দলটি। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের ২ উইকেটে ২৬৭। ২০১৯ আসরে জ্যামাইকা তালাওয়াসের বিপক্ষে এ রান করে তারা।

চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ঝড়ের সূত্রপাত ট্রাভিস হেডের ব্যাটে। ৩৯ বলে তিন অঙ্ক ছোঁন হেড। আইপিএলে দ্রুততম সেঞ্চুরিয়ান ক্রিস গেইল। ২০১৩ সালে ৩০ বলে ওই কীর্তি গড়েন তিনি। ৩৭ ও ৩৮ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে তালিকার দুই ও তিনে আছেন ইউসুফ পাঠান ও ডেভিড মিলার।

সেঞ্চুরির পর ট্রাভিস হেড

রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে শুরু থেকেই হাত খুলে খেলতে থাকেন হেড। প্রথম পাওয়ারপ্লেতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় ৭৬ রানে। যার ৫২ রানই ছিল হেডের। ২০ বলে তিনি তুলে নেন ফিফটি। পরের ৫০ করতে তার প্রয়োজন হয় ১৯ বল।

সেঞ্চুরির পথে ৯টি চার ও ৮টি ছক্কা হাঁকান ট্রাভিস হেড। অবশ্য সেঞ্চুরির পর ক্রিজে টেকেননি বেশিক্ষণ। বেঙ্গালুরুতে রানের বন্যা বইয়ে দিয়ে ৪১ বলে ১০২ রানে ফেরেন তিনি।

এছাড়া হেইনরিখ ক্লাসেন ৩১ বলে ৬৭, আবদুল সামাদ, ১০ বলে ৩৭, এইডেন মার্করাম ১৭ বলে ৩২ এবং অভিষেক শর্মা ২২ বলে ৩৪ রান করেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত