১০১ রানের দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটির পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে বাংলাদেশের ইনিংস। জঙ্গওয়ের ৩টি এবং বেনেট ও এনগারাভার ২টি করে উইকেটে শিকারের পর ১ বল বাকি থাকতেই ১৪৩ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ শুরু করেন তানজিদ ও সৌম্য। চোট থেকে ফিরে সৌম্যর ব্যাটিংয়ে ছন্দ খুঁজে পেতে কষ্ট হলেও অন্য প্রান্তে তানজিদের বাউন্ডারি হিটিংয়ে দল এগোচ্ছিল ঠিক মতো। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এর আগে দুইবার শতরানের উদ্বোধনী জুটি গড়েছিল বাংলাদেশ। আজ তানজিদ ও সৌম্য মিলে গড়েন তৃতীয় শতরানের জুটি। জুটিতে ঠিক ১০১ রান তুলে তার পর আউট হন তানজিদ হাসান তামিম।
তার আগে অবশ্য ৩৪ বলে তুলে নেন নিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ফিফটি। লিটস দাসের বিশ্রামের ফলে পাওয়া সুযোগটির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন তানজিদ। উদ্বোধনীতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি লিটন দাস ও রনি তালুকদারের ১২৪। ২০২৩ সালের মার্চে চট্টগ্রামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে। ২০২১ সালে জুলাইতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে সৌম্য সরকার ও নাঈম শেখ মিলে গড়েছিলেন ১০২ রানের জুটি।
আজ শতরানের উদ্বোধনী জুটি গড়া পর্যন্ত সবকিছু ঠিকই ছিল। এর পরই মড়ক লাগে বাংলাদেশের ইনিংসে। দলীয় ১০১ রানের তানজিদ আউট হন লুক জঙ্গওয়ের বলে। ৭ চার ও ১ ছয়ে করেন ৩৭ বলে ৫২ রান। এর পর সৌম্যও টেকেননি। জঙ্গওয়ের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন ৩৪ বলে ৩ চার ও ২ ছয়ে ৪১ রানে।
এ দুজনের পরে বাংলাদেশের বাকি সবার রান একক অঙ্কের। ১২১ রানে তৃতীয় উইকেট হিসেবে ফেরেন তাওহীদ হৃদয়। এর পর ১৫তম ওভারে সাকিব ও শান্তকে ফেরান বেনেট। ১৩০ রানে সাজঘরে ফেরেন জাকের। একই রানে ওই ওভারেই রানআউট হন তাসকিন। এর পর ১৩২ রানের সময় ফিরে যান রিশাদ হোসেনও। ৯ম উইকেট হিসেবে তানজিম ফেরেন দলের ১৩৮ রানে। আর ইনিংসে ১ বল বাকি থাকতে মোস্তাফিজের উইকেট পতনে ১৪৩ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ।
