মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

শাহরুখের মায়ের নামে মুম্বাইতে চাইল্ড ওয়ার্ড

আপডেট : ১৩ মে ২০২৪, ০২:৫৮ পিএম

ক্যারিয়ারে সফলতা পাওয়ার আগেই মা-কে হারান শাহরুখ খান। ছেলের সাফল্য দেখে যেতে পারেননি লতিফ ফাতিমা খান। প্রতিটা সন্তানের জন্যই তার মায়ের জায়গাটা সবার উপরে। শাহরুখের জন্যও ছিল তেমনটাই।

এক সাক্ষাৎকারে কিং খানকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ১৯৯০ সালে মা লতিফ ফাতিমা খান মারা যাওয়ার পর এতটাই কষ্ট পেয়েছিলেন শাহরুখ, যে এক বুক অভিমান জমা হয়েছিল সৃষ্টিকর্তার উপর। 

রিডার্স ডাইজেস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলিউড বাদশা বলেছিলেন, ‘আমি সেই সময় সৃষ্টিকর্তার উপর খুব রেগে গিয়েছিলাম। তারপর মনে হল, আমি যদি এভাবে তার উপর রেগে থাকি তাহলে তো আর মায়ের সঙ্গে দেখাই করতে পারব না! কারণ সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সুসম্পর্ক না থাকলে, আপনার জন্য না আছে স্বর্গ, না নরক!’

খুব কম লোকই জানেন যে, মুম্বাইয়ের বিখ্যাত নানাবতী হাসপাতালে একটি শিশু ওয়ার্ড রাখা আছে কিং খানের মায়ের নামে। শাহরুখ খান এই একই সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে, তার এক সহকর্মীর সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে যাওয়ার সময়, তিনি সেখানকার নিম্নমানের পরিষেবা লক্ষ্য করেছিলেন। আর তারপর সেটি দান করেছিলেন যাতে দাতব্য ব্যবস্থার উন্নতি সাধনে। 

বর্তমানে, শাহরুখ তার বাবার নামে নামকরণ করা মীর ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধান করেন , যেটি নারীদের ক্ষমতায়ন এবং অ্যাসিড আক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সাহায্য করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ফাউন্ডেশন তাদের সারিয়ে তুলে সাধারণ জীবনে ফিরিয়ে আনতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।

উল্লেখ্য, ছোট পর্দা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন শাহরুখ খান। তবে অভিনেতার মা চাইতেন, ছেলে বড় পর্দার নায়ক হবে! বিছানায় শয্যাশায়ী মায়ের সেই স্বপ্নপূরণ করাই ছিল তখন তরুণ শাহরুখের মূল লক্ষ্য। যা শেয়ার করেছিলেন অভিনেতার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিবেক বাসওয়ানি। তিনি জানিয়েছিলেন, ‘শাহরুখ বলেছিল, মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। মায়ের স্বপ্ন, আমি বড় পর্দায় কাজ করি। মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। তার জন্য বড় পর্দায় অভিনয় করতেই হবে।’

তবে দুঃখের বিষয় হল, ছেলের এত নাম-ডাক কিছুই ডেকে যেতে পারলেন না ফাতিমা খান। তবে মায়ের আশীর্বাদ সবসময় রয়েছে অভিনেতার মাথার উপরে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত