সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

আইসিসিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন

ক্ষুব্ধ নেতানিয়াহু, আপত্তিকর বললেন বাইডেন

  • এ খবরে ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
  • গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদনকে "আপত্তিকর" বলে মন্তব্য করেছেন বাইডেন
আপডেট : ২১ মে ২০২৪, ০৯:৩৭ এএম

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কৌঁসুলি করিম খান।

ইসরায়েলে হামাসের হামলা এবং এর ধারাবাহিকতায় গাজায় চলমান যুদ্ধে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এ আবেদন করা হয়।

হামাসের শীর্ষ তিন নেতার সঙ্গে নিজের এবং দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদনের খবরে ব্যাপক ক্ষুব্ধ হয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। খবর বিবিসি।

সোমবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানায়, ‘গণতান্ত্রিক ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী-প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে উগ্রপন্থি খুনীদের সঙ্গে একসারিতে বিবেচনা করায় ইসরায়েল হতভম্ব, হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। ইসরায়েলের নেৃতত্বকে হামাসের সমপর্যায়ের নামিয়ে আনা একটি হঠকারি এবং চরম ঔদ্ধত্বপূর্ণ মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।‘

এদিকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জন্য আইসিসিতে আবেদন জমা পড়ার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে কোন সমতুল্য নেই, তারা এক নয় বলে জানান তিনি। খবর আল জাজিরা।

সোমবার হোয়াইট হাউসে এক বক্তৃতায় বাইডেন বলেন, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসকে একদৃষ্টিতে দেখার কোনো সুযোগ নেই। একেবারেই নেই।’

এর আগে এক বিবৃতিতে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদনকে "আপত্তিকর" বলে মন্তব্য করেন বাইডেন।

এছাড়া বাইডেন তার বক্তৃতায় আরও বলেন, “আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ তোলা হয়েছে। গাজায় যা ঘটছে তা গণহত্যা নয়। আমরা এটি প্রত্যাখ্যান করি।  

তার এই প্রতিক্রিয়ার কিছু সময় পর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেন, ‘ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপকে মৌলিকভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। এটি লজ্জাজনক। আইসিসির এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।

নেতানিয়াহু ও হামাস প্রধান ছাড়াও আইসিসিতে গ্রেপ্তারি আবেদনের তালিকায় আরও নাম আছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট ও হামাসের আরও দুই নেতা—সামরিক শাখা কাসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মদ দিয়াব ইব্রাহিম আল-মাসরি; যিনি মোহাম্মদ দেইফ নামেই বেশি পরিচিত এবং হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়া। তবে নেতানিয়াহু ও সিনওয়ারের দায় বিশেষভাবে উল্লেখ করেন আইসিসির কৌঁসুলি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত