হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসিসহ ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমবারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইরানি সেনাবাহিনী। সেখানে কোনো নাশকতা বা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তদন্তে প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার এ তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়। খবর তাসনিমের।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর গত সোমবার দুর্ঘটনাস্থলে যায় তদন্তকারী দলের সদস্যরা। বিশেষজ্ঞ, প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে এ তদন্তকারী দল গঠিত হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, হেলিকপ্টারটি পুরো পথ ধরে তার পূর্বনির্ধারিত পথেই ছিল এবং ফ্লাইট রুট থেকে বিচ্যুত হয়নি। দুর্ঘটনার দেড় মিনিট আগেই বিধ্বস্ত হওয়া হেলিকপ্টারের পাইলট প্রেসিডেন্টের বহরে থাকা অন্য দুই হেলিকপ্টারের পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিধ্বস্ত হওয়া হেলিকপ্টারে বুলেট বা অনুরূপ কোনো জিনিসের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয় একটি পর্বতে। এরপরই সেটিতে আগুন ধরে যায়।
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কুয়াশা এবং নিম্ন তাপমাত্রার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছিল। সোমবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় ড্রোনের সহায়তায় বিধ্বস্ত হেলিপ্টারের ঘটনার সঠিক শনাক্ত হওয়া যায়। দুর্ঘটনার সময় ওয়াচটাওয়ার এবং ফ্লাইট ক্রুদের মধ্যে কথোপকথনে কোনো সন্দেহজনক কিছু শনাক্ত করা হয়নি বলেও তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তদন্ত এগিয়ে যাওয়ার পর আরও বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে। মৃত্যুর চারদিন পর বৃহস্পতিবার রাইসিকে শিয়া মুসলিমদের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হয়।
রাইসির মৃত্যুতে ইরান পাঁচদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করেছে। এখন অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন। ২৮ জুন ভোটের মধ্য দিয়ে দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হবে।
রাফাহ সীমান্তে আটকে আছে ২ হাজার ত্রাণবাহী ট্রাক
ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ক্ষয়ক্ষতির দাবি