বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বুরাক অ্যাজিভিটের সঙ্গে রূপান্তর যাত্রা শুরু করল সিঙ্গার বেকো

আপডেট : ২৬ মে ২০২৪, ০৮:০৪ পিএম

তুরস্কের কচ গ্রুপের ফ্ল্যাগশিপ প্রতিষ্ঠান আর্চেলিকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড এক সংবাদ সম্মেলনে 'ট্রান্সফরমেশন জার্নি উইথ বুরাক অ্যাজিভিট' শীর্ষক পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়। 

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব এমএইচএম ফাইরোজ, আর্চেলিকের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল মার্কেটিং, বিজনেস ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ড গ্রোথের পরিচালক মিস হানদান আবদুররাহমানোগলু এবং সিঙ্গার বাংলাদেশের এই রূপান্তর যাত্রার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর জনপ্রিয় তুর্কি অভিনেতা জনাব বুরাক অ্যাজিভিট।

এ বছরের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের নতুন লক্ষ্যের সাথে মিল রেখে একটি অত্যাধুনিক ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট, নতুন কনসেপ্ট স্টোর ও ওয়ার্কস্পেস সহ বেশকিছু রূপান্তরের ঘোষণা দেয় সিঙ্গার বাংলাদেশ। এই রূপান্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশে কচ গ্রুপ ও আর্চেলিকের বৈশ্বিক দক্ষতা ও মান নিয়ে আসা হয়েছে; যা ক্রেতাদর অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করবে এবং এই পদক্ষেপ সিঙ্গার বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিশ্রুতিকেই পুনর্ব্যক্ত করে। 
রূপান্তরের এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়া শুরু করার পর বুরাক অ্যাজিভিট বেশকিছু ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশনে অংশ নিয়ে এই যাত্রার সহযোগী হন। বুরাক বিভিন্ন ধারাবাহিক নাটকে নিজের অসামান্য অভিনয় প্রতিভা দেখানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

রূপান্তরের এই প্রচেষ্টার বিষয়ে সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এমএইচএম ফাইরোজ বলেন, আমাদের কার্যক্রমের মূল স্তম্ভ হিসেবে গ্রাহক-কেন্দ্রিকতাকে রেখে, বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য সমসাময়িক ও বৈশ্বিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে সিঙ্গার বাংলাদেশের কার্যক্রমে পরিবর্তন নিয়ে আসছে। বাংলাদেশের মানুষের জীবন ও এই খাতে অবদান রাখার জন্য বৈশ্বিক দক্ষতা ও মান নিয়ে আসার মাধ্যমে দেশের শীর্ষ ব্র্যান্ড হওয়াই সিঙ্গার বাংলাদেশের লক্ষ্য।

এ বিষয়ে আর্চেলিকের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল মার্কেটিং, বিজনেস ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ড গ্রোথের পরিচালক হানদান আবদুররাহমানোগলু বলেন, সিঙ্গার বাংলাদেশ অধিগ্রহণের পর থেকে স্থানীয় বাজারে বৈশ্বিক দক্ষতা ও মান নিয়ে আসার চেষ্টা করছে আর্চেলিক। এ দেশের মানুষের জীবনমান উন্নত করতে ও কনজ্যুমার ডিউরেবলস খাতকে সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে আমরা তুরস্ক থেকে বাংলাদেশে সেরা অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে আসার প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। 

সিঙ্গার বাংলাদেশ রাজধানীর গুলশান ২-এ করপোরেট হেডকোয়ার্টার স্থানান্তর করেছে। তুর্কি স্থপতিদের ডিজাইন করা নতুন এই অফিসে কর্মীদের জন্য ওপেন ওয়ার্কস্টেশন, কোলাবোরেশন জোন, টাউন হল এরিয়া, প্রোডাক্ট শোরুম, লাঞ্চরুম, প্রেয়ার রুম (নামাজ ঘর) ও সোশ্যালাইজিং এরিয়া সহ বিশ্বমানের কর্মস্থলের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা হয়েছে। 

এটি কাজ, দলগত দক্ষতা, সহযোগিতা, সৃজনশীলতা বা অগ্রসর চিন্তাভাবনার ক্ষেত্রে কর্মীদের উৎসাহী করে তুলবে। এই হেডকোয়ার্টার সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রগতিশীল মনোভাবকে প্রতিফলিত করে, যা এই প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক সফলতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

সিঙ্গার বাংলাদেশের নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টে উৎপাদন শুরু হয়েছে। আর্চেলিক-এর ৭৮ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত নতুন কারখানাটি ৪০০০ এরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে এবং স্থানীয় উৎপাদনে কোম্পানির প্রতিশ্রুতিকেও ছাড়িয়ে যাবে। 
সিঙ্গার বাংলাদেশ-এর লক্ষ্য হল ৯০% এর বেশি পণ্য দেশেই উৎপাদন করা, আমদানির উপর নির্ভরতা হ্রাস করা এবং একটি শক্তিশালী স্থানীয় সরবরাহকারী ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় টেকসই হওয়ার জন্য সিঙ্গার ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টটি লিড গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী তৈরি করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত