শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না

আপডেট : ০৯ জুন ২০২৪, ১০:১৬ এএম

অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক। সম্প্রতি জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটের নানা বিষয় নিয়ে এই অর্থনীতিবিদ কথা বলেছেন দেশ রূপান্তরের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিজনেস এডিটর আলতাফ মাসুদ ও সম্পাদকীয় বিভাগের সাঈদ জুবেরী

দেশ রূপান্তর : এবারের বাজেটে বেসরকারি বিনিয়োগ ২৩.৭১ থেকে ২৭.৩৪ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বিদ্যমান অর্থব্যবস্থায় বেসরকারি বিনিয়োগে সহায়তা করার সেই সক্ষমতা কি আছে?

আহসান এইচ মনসুর : এ বছর সরকার বলছে রিভাইস বাজেটে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা ব্যাংক ঘাটতি। বাজেটে বলা হয়েছে আগামী বছর ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যাংক ঘাটতি। আমাদের পুরো ব্যাংকিং খাতে আমানতের প্রবৃদ্ধি ১০% এর নিচে। সেটাও যদি হয় তাহলে ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা আমানত পায়। ওই টাকা থেকেই তো সরকারকে নিতে হবে। সেখান থেকে সরকার যদি ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা নিয়ে নেয় তাহলে ব্যক্তি খাতে কী থাকবে? ২৩ হাজার কোটি বা ৩০ হাজার কোটি থাকবে। অর্থাৎ সরকার নিচ্ছে ৮০% আর ব্যক্তি খাতকে দিচ্ছে ২০%। কিন্তু অর্থনীতিতে সরকারের অবদান হচ্ছে ১৪% আর ব্যক্তি খাতে অবদান হচ্ছে ৮৬ শতাংশ। তাহলে ব্যক্তি খাত কীভাবে বড় হবে? আর ব্যক্তি খাতের কি বিকল্প আছে? আমাদের কি স্টক মার্কেট ভালো? সেখান থেকে টাকা তোলার কোনো উপায় নেই। আমাদের বন্ড মার্কেট কি ভালো? সেখান থেকেও টাকা তোলার কোনো উপায় নেই। কাজেই ঘুরে ফিরে সবাইকে ব্যাংকেই যেতে হবে। সরকারকেও যেতে হবে, ব্যক্তিকেও যেতে হবে, প্রতিষ্ঠানকেও যেতে হবে। এখানে সরকার বড় রকমের ক্রাউডিং করছে ব্যক্তি খাতে এবং সেটাকে মনে রেখেই বুঝতে হবে ব্যক্তি খাত বিনিয়োগ বেশি করতে পারবে না। ফলে আগামী বছর বিনিয়োগ কম হবে, খুবই কম হবে, প্রবৃদ্ধিও কমবে এবং এটাই স্বাভাবিক, অস্বাভাবিক কিছু না। জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না। কারণ আমরা সংকোচনমূলক পলিসিতে আছি।

দেশ রূপান্তর : অর্থমন্ত্রী বলেছেন ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হবে। আপনি কি মনে করেন, এটা সম্ভব?

আহসান এইচ মনসুর : এটা এই পর্যায়ে মনে হয় খুব কঠিন। তবে যদি সরকার ভালো রকমের রিফর্ম নিতে পারত, তাহলে হয়তো-বা সম্ভব হতেও পারত। আমার মনে হয় না সে রকম রিফর্ম করতে পারবে। রিফর্ম বলতে ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, রাজস্ব খাতের সংস্কার, বড় বড় ইনিশিয়েটিভ নিতে হবে। সেগুলো করতে পারলে এবং ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টকে যদি টার্ন অ্যারাউন্ড করতে পারে তাহলে হয়তো ভবিষ্যতে কিছুটা পারবে। কিন্তু অতখানি বাড়বে কি না আমি জানি না।

দেশ রূপান্তর : মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রত্যাশা করছেন অর্থমন্ত্রী। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে চাল, গমসহ ১৭টি অত্যাবশ্যকীয় নিত্যপণ্যের উৎসে কর ২ থেকে ১ শতাংশে নামিয়ে এনেই কি মূল্যস্ফীতি নামিয়ে আনা যাবে? আর কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত?

আহসান এইচ মনসুর : উৎসে কর কমানো ভালো। কারণ পৃথিবীর কোনো দেশে চাল, গম ধরনের পণ্যে এত কর থাকে না, আমাদেরও থাকার দরকার নেই। সেদিক থেকে আমি মনে করি এটা ঠিক পলিসি। কিন্তু এটার মাধ্যমে আমরা মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ফেলব, এটা আমার কাছে মনে হয় যৌক্তিক হবে না। এটাতে বাজারে কোনো প্রতিফলন পড়বে না। ১ শতাংশ কম, এটা বাজারে গোনায় ধরাই কঠিন। মানে ৯০০ টাকার গরুর মাংসে ৯ টাকা বাড়ানো এটাকে মানুষ ধর্তব্যে আনবে না। গরুর মাংস কি ৯ টাকা করে বাড়ে? ৫০ টাকা করে বাড়ে, তাই না? আর মূল্যস্ফীতির জন্য সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে, ইন্টারেস্টকে বাজারভিত্তিক করে দিয়েছে, তাই না? মানুষের পলিসি টাইট করেছে। এক্সচেঞ্জ রেট মোটামুটি স্টেবল আছে। আমার ধারণা সিস্টেম পলিসিটাও টাইট একটা অবস্থা নেবে, যেটা ঘোষণা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মূল্যস্ফীতি আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কমানো যাবে। এটা ৬% নাকি ৭% হবে, তা জানি না; তবে কমবে, যদি আমরা এই পলিসিকে ধরে রাখতে পারি এবং ইন্টারেস্ট রেটে ইন্টারফেয়ার না করি, বাজারভিত্তিক রাখি।

দেশ রূপান্তর : কালো টাকা ১৫ শতাংশ জরিমানায় সাদা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে সৎ করদাতারা বঞ্চিত হচ্ছেন, বৈষম্যও তৈরি করা হচ্ছে। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া উচিত কি-না?

আহসান এইচ মনসুর : এটা নিয়ে তো আমরা সবসময়ই প্রতিবাদ করেছি যে এটা নৈতিকভাবে সমর্থনযোগ্য নয় এবং এটা করে সরকারের কোনো লাভও হয় না। কিছু ব্যক্তির হয়তো সমস্যা সমাধান হয় কিন্তু এটা সরকারের জন্য একটা অপবাদ নিয়ে আসে। এবং যারা সৎ করদাতা তাদের এটার মাধ্যমে অপমান করা হয়। এর দ্বারা এমন মনে হতে পারে যে নিয়মিত করদাতাদের বুদ্ধি নেই; কেন তারা ট্যাক্স দেয়? অসৎভাবে ট্যাক্স দিলে তো ১৫% দিয়েই পার পাওয়া যায়। এই ধরনের একটা অবস্থান সরকার কেন নেবে, সেটা আমার কাছে বোধগম্য নয়। আরও একটা জিনিস এখানে আছে, এবারে যেটা আরোপ করেছে যে কোনো প্রশ্ন করা যাবে না। এটার মানে হচ্ছে বেনজীর আহমেদ অ্যান্ড কোম্পানি, সরকারের মধ্যে যেসব ঘুষখোর আছে তারা সবাই নিশ্চিন্তে ১৫ শতাংশ কর দিয়ে তাদের সব অবৈধ উপার্জনকে সাদা করে তুলবে। এটাই কি আমরা চাই? তাহলে তো দুদকের আর থাকার দরকার নেই।

দেশ রূপান্তর : সরকার থেকে বলা হচ্ছে যে ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা ফেরত আনার জন্য কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আপনি কি মনে করেন এতে কি ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা ফেরত আসে?

আহসান এইচ মনসুর : আমি মনে করি, নৈতিকভাবেই এটা গ্রহণযোগ্য নয়। সাধারণ মানুষরা ৩৪-৩৫ শতাংশ করে কর দিচ্ছে। আর বেআইনিভাবে অর্জিত টাকা আমরা সাদা করতে দেব উইথআউট আস্কিং আ সিংগেল কোয়েশ্চন? এবারে যে নিয়ম করেছে এটা আরও ক্ষতিকর। এভাবে কোনো প্রশ্ন ছাড়া কালো টাকা সাদা করার এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশটাকে কোনদিকে নিয়ে যাচ্ছি আমরা? আমরা কি এই ঘুষখোর, চাঁদাবাজদের স্বার্থেই সব কাজ করব? ওই টাকা দরকার নেই, ওটাকে বন্ধ করার চেষ্টা করেন। আমাদের ধর্মে একটা কথা আছে না? হারাম যে খায়, হারাম যে নেয় দুজনেই দোষী। সরকার কেন হারাম টাকা খাবে?

দেশ রূপান্তর : বিদেশি ঋণ কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে না পাওয়ায় চলতি অর্থবছরেও এ খাত থেকে ঘাটতি অর্থায়ন লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কমিয়ে আনা হয়েছে। আগামী অর্থবছরেও বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা তুলনামূলক কম। সরকার বিদেশি ঋণ কেন কম পাচ্ছে?

আহসান এইচ মনসুর : সরকার চেষ্টা করছে বিদেশি ঋণ পাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে। এখানে দুটি জিনিসের মধ্যে একটা হচ্ছে কনসেশনাল না হলে সরকার যেন না নেয়। যেকোনো ঋণ নেওয়াটা ঠিক হবে না, এটা সরকারের জন্য বোঝা হয়ে যায়। দুই নম্বর হলো আমরা এখন এলডিসি থেকে গ্রাজুয়েশন করছি, তাই না? ফলে অনেক দেশই আছে যারা আমাদের কনসেশনাল ঋণ দিয়েছে, তারা এখন আমাদের ঋণ দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে। যেমন ইউকে এইড, ব্রিটিশ এইড এরা কিন্তু প্রচুর কমিয়ে দিয়েছে। আগে তিন চারশ মিলিয়ন দিত, এখন সেটা শূন্য করে দিয়েছে। কারণ আমরা গ্রাজুয়েট। তো এটা হচ্ছে বাস্তবতা। আমাদের আস্তে আস্তে নন-কনসেশনাল এইড নিতে হবে এবং মার্কেটে যেতে হবে। নতুন অর্থায়নের সোর্স খুঁজতে হবে। সনাতনী যারা আছে তারাও দেবে, কিন্তু নতুন মার্কেটে যেতে হবে।

দেশ রূপান্তর : অনেকেই বলছেন যে বিভিন্ন ভ্যাট-ট্যাক্স আরোপ, বিভিন্ন পদক্ষেপের পেছনে আসলে বিদেশি ঋণের যে শর্ত পূরণের চাপ সেটা বাজেটে স্পষ্ট ছিল। আপনার মন্তব্য কী?

আহসান এইচ মনসুর : দেখুন, আমি মনে করি যে সরকার যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে এগুলো বহু আগেই নেওয়া উচিত ছিল এবং আরও অনেক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আইএমএফের যে কন্ডিশন, আমি মনে করি বাংলাদেশের যে কনটেক্সট, বাংলাদেশের কন্ডিশন তাতে আরও বেশি কঠোর পলিসি আমাদের নেওয়া উচিত ছিল। আমরা সেটা নিচ্ছি না। চাপ আরও বেশি হওয়া উচিত এবং আমাদের নিজেদের থেকেই আমাদের চাপে থাকা উচিত, আমাদের নিজেদের স্বার্থে। এখানে বিদেশিদের কথা বলে লাভ নেই। আমরা করব আমাদের জন্য, রাজস্ব আহরণ করব আমাদের জন্য, অপচয় রোধ করব আমাদের জন্য। আমাদের প্রচুর অপচয় রয়েছে সরকারের খাতে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে, বিভিন্ন খাতে প্রচুর অপচয়। এতগুলো মন্ত্রণালয় রাখারই দরকার নেই, এত সাবসিডি দেওয়ার কোনো দরকার নেই। এগুলো বন্ধ করতে হবে, আমাদের নিজেদের স্বার্থেই এসব করতে হবে।

দেশ রূপান্তর : বাজেটের একটি উল্লেখযোগ্য অংশই চলে যাচ্ছে ঋণ ও সুদ পরিশোধে এবং প্রতি বছরই এটা বাড়ছে। জিডিপির তুলনায় আমাদের বিদেশি ঋণ নিরাপদ সীমায় থাকলেও ইতিমধ্যেই তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব ঋণের ব্যবহার ও রিটার্ন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আপনি কী মনে করেন?

আহসান এইচ মনসুর : এটার জন্য তো আমরাই দায়ী তাই না? আমরা প্রচুর ঋণ নিচ্ছি চায়না থেকে, বিভিন্ন দেশ থেকে। ঋণ নিয়ে যেসব প্রকল্পে ব্যবহার করছি সেসব প্রকল্প কি সঠিক প্রকল্প? এবং যে হারে সেই প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ করা হচ্ছে, যেভাবে জমি অধিগ্রহণের নাম করে টাকার অপচয় হচ্ছে, তিন চারগুণ দাম দিয়ে জমি কেনা হচ্ছে এগুলো তো আমরাই করছি, তাই না?

দেশ রূপান্তর : সর্বজনীন পেনশনের আওতায় সরকারি চাকরিজীবীদের নিয়ে আসাতে একটা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সরকারি চাকরি করার অন্যতম একটা জায়গা তো পেনশনের নিরাপত্তা, সেটা কি কোনোভাবে হুমকিতে পড়বে?

আহসান এইচ মনসুর : আমি মনে করি যে যারা সরকারি চাকরি করছেন বর্তমানে তাদের নিয়ে কোনো চিন্তার কিছু নেই। ভবিষ্যতে যারা জয়েন করবেন তারা তো জেনেশুনেই জয়েন করবেন। তারা যদি জয়েন করতে না চান জয়েন করবেন না, অসুবিধে কী? ঠিক না?

দেশ রূপান্তর : তাদের এই শঙ্কা কি অমূলক মনে হচ্ছে আপনার?

আহসান এইচ মনসুর : সবাইকে যেভাবে ট্রিট করা হবে, সরকারের কর্মকর্তারাও সেভাবে ট্রিট হবেন। এখানে আবার শঙ্কার কী আছে? বরং আমি মনে করি যে সরকারি কর্মকর্তাদের এই সিস্টেমের মধ্যে আনতে পারলে এই জিনিসটার স্ট্যাবিলিটি বাড়বে, স্থায়িত্ব বাড়বে, এটার ইন্টিগ্রিটি বাড়বে। কারণ নিজেদের স্বার্থে এটা তারা করবে। তাদের এর মধ্যে আনা দরকার। কারণ সরকারের লোকেরা এটা ম্যানেজ করবে, তারা যদি এটার মধ্যে না থাকে তাহলে তো এটা মিসম্যানেজ করবে। তাদের অবশ্যই আনতে হবে।

দেশ রূপান্তর : গত বৃহস্পতিবার খেলাপি ঋণের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ খেলাপি হয়ে পড়েছে, যা মোট ঋণের ১১.১১ শতাংশ। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পরও খেলাপি ঋণ উদ্বেগজনক অবস্থায় কেন যাচ্ছে? কী করণীয়?

আহসান এইচ মনসুর : খেলাপি ঋণ নিয়ে করণীয় যেটা হচ্ছে প্রথমত, আমাকে খেলাপিকে খেলাপি হিসেবে ডিক্লেয়ার করতে তো হবে, তাই না? আমরা তো সেটাই করছি না। আমাদের আসলে খেলাপি ঋণ হচ্ছে ২৫ শতাংশ। আমরা এখন আইএমএফের চাপে পড়ে এটা কমিয়ে এগারো শতাংশ বলছি। আমরা ভুয়া রিশিডিউলিং করে এটাকে ধামাচাপা দিয়ে রাখছি, কোর্ট কেস করে এটা আড়াল করছি। খেলাপি ঋণের প্রকৃত পরিমাণ ২২-২৫ শতাংশ। সেটা হচ্ছে প্রায় ৪ লাখ কোটির মতো। তো যাই হোক, সেটাকে মনে রেখেই আমাদের চিন্তা করতে হবে সরকার কী করতে চায়। সরকার তো কিছু করছে না। তাহলে খেলাপি ঋণ কমবে কেন? কাজেই কার্যকর পদক্ষেপ না নিতে পারলে খেলাপি ঋণ কমার কোনো কারণ নেই।

দেশ রূপান্তর : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের সময় দেওয়ার জন্য।

আহসান এইচ মনসুর : আপনাকেও ধন্যবাদ।

অনুলিখন : মোজাম্মেল হৃদয়

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত