জাপানের ব্যবসায়ীরাও চান কমলার জয়

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৪, ১০:৫৫ পিএম

চলতি বছরের নভেম্বরে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এতে ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। ফলে বিশ্ব জুড়েই এই দুই প্রার্থীকে নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে। ব্যবসার ক্ষেত্রে এই দুজনের মধ্যে কে ভালো হবেন সে সম্পর্কে জাপানে একটি জরিপ চালিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে অধিকাংশ জাপানি কোম্পানি জানিয়েছে, কমলা হ্যারিসই ভালো হবেন। 

জাপানের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তাছাড়া দুই দেশের মধ্যে রয়েছে বিশাল বাণিজ্য অংশীদারত্ব।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ জাপানি কোম্পানি করপোরেট কৌশল ও ব্যবসার ক্ষেত্রে হ্যারিসকে পছন্দ করছেন। এক্ষেত্রে মাত্র ৮ শতাংশ ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন। তাছাড়া মোট ৪৬ শতাংশ মনে করছে, দুই প্রার্থীই ভালো হবে। যদিও তিন শতাংশ বলেছে দুজনের একজনও ভালো নয়।

জরিপে একটি সিরামিকস উৎপাদনকারী কোম্পানির ম্যানেজার বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে নতুন করে বাণিজ্যযুদ্ধের পাশাপাশি নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হতে পারে। ট্রাম্পের সময়ে জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না। এর কারণ ছিল বাণিজ্য উত্তেজনা ও ট্রাম্পের দাবি ছিল সামরিক খাতে আরও সহায়তা।

কেমিক্যাল কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হ্যারিসের সঙ্গে আমরা আশা করতে পারি বর্তমান নীতিগুলো ব্যাপকভাবে বজায় থাকবে, যা ভবিষ্যতে আমাদের আরও ভালো ফলাফল দেবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনমত জরিপেও এগিয়ে আছেন কমলা হ্যারিস। চলতি সপ্তাহের নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা কলেজের সর্বশেষ জরিপে দেখা যায়, ভোটের লড়াইয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ তিনটি অঙ্গরাজ্যে জনমত জরিপে বিরোধী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। অঙ্গরাজ্যগুলো হলো উইসকনসিন, পেনসিলভানিয়া ও মিশিগান। গত শনিবার প্রকাশিত জরিপের ফলে দেখা গেছে, ওই তিন অঙ্গরাজ্যে কমলা যেখানে ৫০ পয়েন্ট পেয়েছেন, সেখানে ট্রাম্পের পয়েন্ট ৪৬।

নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থিতা থেকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোর পর ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে তার জায়গায় বসেন কমলা হ্যারিস। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ তিন অঙ্গরাজ্যে জনমত জরিপে তিনি ট্রাম্পকে টেক্কা দেওয়ায় সেখান অবস্থান শক্ত হলো ডেমোক্রেটদের। মার্কিন নির্বাচনে কোনো দলের জয়-পরাজয় অনেকটাই নির্ভর করে উইসকনসিন, পেনসিলভানিয়া ও মিশিগান  অঙ্গরাজ্যের ভোটের ফলের ওপর।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত