বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদের প্রথম বোর্ড সভা নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমীদের পাশাপাশি সাংবাদিকদের আগ্রহ ছিল প্রচুর। তাই মিরপুরের প্রেস কনফারেন্স রুম ভরে ওঠে। সেই ভরা আসরে এক সিনিয়র সাংবাদিক অভিযোগ করেন, বিসিবিতে ইতোপূর্বে সংঘটিত দুর্নীতির কাগজপত্রে প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজনের সাক্ষরের বিষয়টি নিয়ে।
বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজেও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনে তার মুখে অন্ধকার নামে। যেহেতু সব সিদ্ধান্তে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকে এবং আর্থিক বিষয়াদির সঙ্গে প্রধান অর্থ কর্মকর্তারও সংশ্লিষ্টতা থাকে, তাই বিষয়টি নিজামউদ্দিন চৌধুরীর জন্য বিব্রতকর হয়ে দাঁড়ায়। এসময় ঢাল হয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ১২ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। পদের কারণেই তাকে অনেক কিছুতে সই করতে হয়। তবে তিনি অনেক অভিজ্ঞ ও যোগ্য।’
নিজামউদ্দিনকে আগলে রাখলেও নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বাধীন বিসিবিতে যে দুর্নীতি হয়েছে, সেটা স্বীকার করে নেন বর্তমান সভাপতি ফারুক আহমেদ, ‘কিছু দুর্নীতি যে হয়েছে, এটা আমরা সবাই জানি। এটা অস্বীকার করতে পারব না। দুর্নীতি যদি হয়, তাহলে নিশ্চয়ই দুর্নীতি দমন কমিশন সেখানে হস্তক্ষেপ করবে। তবে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, দুর্নীতি হয়েছে কি না, বা কতটুকু বা কী মাত্রায় হয়েছে, এটা খুঁজে বের করা।’
বিসিবির দুর্নীতি অনুসন্ধানে সেরা চারটি অডিট ফার্ম থেকে একটিকে বেছে নিয়ে স্বাধীনভাবে বোর্ডের সব আর্থিক কর্মকাণ্ডের অডিট করা হবে বলে জানিয়েছেন ফারুক। অডিটে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে তার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন। বিসিবি সভাপতি নিশ্চিত করেছেন যে, তাদের ওপর কোনো চাপ নেই। বোর্ড পুরোপুরি স্বাধীনভাবে কাজ করছে। কাজেই তাদের কাজের ধরনে আগের চেয়ে অনেক কিছুই ব্যতিক্রম হবে।
বিশ্বকাপের তদন্ত রিপোর্ট জনসম্মুখে আনতে চান ফারুক
হাথুরু-গামিনির ‘শ্রীলঙ্কান সিন্ডিকেট’ আপাতত টিকে যাচ্ছে
শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের দরপত্র বাতিল