সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত যতগুলো নির্বাচন হয়েছে, তার দু-একটি বাদে প্রায় সবগুলোই ছিল বিতর্কিত। ফলে বারবার প্রশ্ন উঠেছে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে। অথচ সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ক্ষমতা থাকার পরও বেশিরভাগ কমিশনই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেনি বা করেনি। পারেনি নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিতে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজন করতে গিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকেই ফেলে দিয়েছে বিতর্কের মধ্যে। নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসের অভিযোগ উঠেছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে। এসব ক্ষেত্রে কারণ হিসেবে বহুল আলোচিত বিষয় হলো ক্ষমতা প্রয়োগের চেয়ে আনুগত্য দেখাতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য ছিল ইসি।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, রকিব, নুরুল হুদা ও আউয়াল কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়া ধ্বংস করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সংবিধানের বিভিন্ন বিধিমালা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে আমাদের ইসিকে যথেষ্ট ক্ষমতা দিয়েছে। তা সত্ত্বেও বিভিন্ন সময় নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এখন সময় এসেছে, পুরো নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার করার, না হলে অতীতের মতো আবারও নির্বাচন কমিশন বিতর্কের জন্ম দেবে। মানুষের অধিকার খর্ব হবে।’
- ২০১৮ সালে 'দিনের ভোট রাতে' করায় নিন্দিত নুরুল হুদা কমিশন
- ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৩ জনের নির্বাচনের দায় রকিবউদ্দীন কমিশনের
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
‘ইয়েস স্যারে’ ডুবেছেন ডুবিয়েছেন