ক্ষমতার শেষ ১০ বছরে অ্যাডহক চিকিৎসকদের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্বাসনে ব্যস্ত ছিল আওয়ামী লীগ সরকারদলীয় লোকজন। এ সময় দেড় হাজারের বেশি চিকিৎসককে বিধিবহির্ভূতভাবে পদায়ন ও পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে ৭৪৬ চিকিৎসকের নাম পাওয়া গেছে। এসব পদায়ন ও পদোন্নতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কমপক্ষে ৭০ কোটি টাকার বাণিজ্য করেছেন।
এ পদায়ন ও পদোন্নতিকে কেন্দ্র করেই শেষ পর্যন্ত বিদায় ত্বরান্বিত হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলমের। চিকিৎসকদের আন্দোলনের মুখে গত ১১ আগস্ট শতাধিক অ্যাডহক চিকিৎসকের অবৈধ পদায়ন ও পদোন্নতি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন মহাপরিচালক।
পরদিন প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে তাকে ঘেরাও করেন অ্যাডহক চিকিৎসকরা। পরে ওই প্রজ্ঞাপন স্থগিত করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। মহাপরিচালক পদত্যাগ করতে বাধ্য হন এবং পরে তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে সরকার।
ওইদিনই অন্তর্বর্তী সরকারের বর্তমান স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমের কাছে জমা পড়া বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের ‘স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় তীব্র অনিয়ম ও দুর্নীতি’ শীর্ষক এক দীর্ঘ প্রতিবেদন (স্মারক নং-১০/২০২৪) থেকে এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
৭০ কোটি টাকায় ৭৪৬ পদায়ন