প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময় তখন শেষ। খেলা চলছিল তাই ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে। এমন সময় লিওনেল মেসির বাড়িয়ে দেওয়া বল থেকে গোল করেন লুইস সুয়ারেজ। কিন্তু অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি। বাতিলের আগে ভিএআর চেক করেছিলেন তিনি।
এসবের মধ্যে নতুনত্ব কিছু নেই। তবে নতুনত্ব রেফারির ঘোষণাটা। সাধারণত রেফারি হাতের ইশারায় বুঝিয়ে দেন গোল হয়েছে কি হয়নি। কিন্তু এখানে মাইক্রোফোন দিয়ে মুখে বলে ঘোষণা দিতে দেখা গেল। যা ফুটবল বিশ্বে আগে কখনও দেখা যায়নি।
এই নিয়মটা অবশ্য এএলএসেই দেখা গেছে। যার শুরুটা হয়েছিল এই বছরের এপ্রিলে, মেজর লিগ সকারের নতুন মৌসুম শুরুর আগে। কারণ এমএলএসের দ্বিতীয় স্তর পিআরও ও পিএসআরএর মধ্যে রেফারি লকআউটের কারণে প্রাথমিকভাবে বিলম্বিত হয়েছিল।
নতুন নিয়মের মধ্যে দুটি সময় নষ্ট, ইনজুরির চিকিৎসা ও বদলি নিয়ে হলেও তৃতীয়টি হলো স্টেডিয়ামে ভিএআর ঘোষণা করা।
এমএলএস অনুসারে, ভিএআরের সিদ্ধান্তগুলি এখন সেন্টার রেফারি দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয় এবং ঘোষণা করা হয়। রেফারির কণ্ঠস্বর লাউডস্পিকারে আসে। এই পরিবর্তনটি স্টেডিয়ামে এবং বাড়িতে উভয় ভক্তদের রায়ের পিছনে অর্থ বোঝার সুযোগ দেয়, বিশেষত গোল এবং ফাউল সম্পর্কিত উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ পর্যালোচনাগুলিতে।
নিজের বাজে ফর্মের কথা এড়িয়ে গেলেন শান্ত
‘পাকিস্তান আর ভারতের মাঝে অনেক পার্থক্য’ –শান্তদের সতর্ক করলেন জাদেজা
কেমন ছিল মেসির ৮৪৫ ও ৮৪৬তম গোল