মুখে হররোজ নীতিবাক্য আওড়ালেও বাস্তবে নীতিবিরুদ্ধ কর্মকাণ্ডের প্রতীক হয়ে ওঠেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারে ও দলটির সবার কাছেই নীতিবিরুদ্ধ কর্মকাণ্ড এবং স্বৈরাচারী আচরণের এক উদাহরণ হয়ে ওঠেন তিনি। যদিও তার রোষানলের শিকার হওয়ার ভয়ে এতদিন মুখ খোলেননি কেউই।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং সড়ক ও সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ওপরে সততার খোলস পড়ে থাকলেও ওবায়দুল কাদেরের ভেতরটা সম্পূর্ণ উল্টো। অনেকের মতে, আওয়ামী লীগের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র সাধারণ সম্পাদক, ভাবমূর্তির মানদণ্ডে সবার কাছেই যার অবস্থান ছিল শূন্যের কোটায়। তবুও এ নেতাই হয়ে যান দলটির তিনবারের সাধারণ সম্পাদক। যে কারণে দল প্রতিষ্ঠার পর থেকে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হয়েছে কাদেরের নেতৃত্বের আওয়ামী লীগকে।
তার দায়িত্বে থাকা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে বড় বড় কাজে বড় দুর্নীতি-অনিয়মের খবর এখন বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা দেশ রূপান্তরকে বলেন, মুখে সততার কথা বললেও কার্যত অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার মতো ঘৃণ্য কাজ করতেন সাবেক এ মন্ত্রী।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
নীতিবাক্য আওড়ে নিজেই নীতিবিরুদ্ধ