সড়কমন্ত্রীর পদে থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর ওবায়দুল কাদের বলতেন, তিনি সড়ক দেখতে গিয়ে সংগঠনও দেখবেন। এটি বুঝিয়েই মূলত মন্ত্রণালয়টির মন্ত্রীর দায়িত্ব ধরে রাখেন। তবে বাস্তবতা হলো সড়ক দেখতে দেশের উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিমে ঠিকই তিনি নিয়মিত সফর করেছেন, কিন্তু সংগঠন সেভাবে আর দেখা হয়ে ওঠেনি তার। সত্য-মিথ্যা মিলিয়ে সরকারের উন্নয়ন প্রচারেই ব্যস্ত থেকেছেন বেশি। সারা দেশের প্রায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে অগ্রহণযোগ্য ও অপছন্দের লোকটি হয়ে ওঠেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা।
এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি সংগঠনকে দিনে দিনে ফোকলা করে দিয়েছেন। এটি দলের ভেতরে থেকে আমরা টের পেলেও সর্বসাধারণ টের পেত না। দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কারের বাইরে থাকা সংগঠনের দুর্দশার চিত্র বেরিয়ে আসে মূলত জুলাইয়ের আন্দোলনের সময়।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আওয়ামী লীগের টানা সাড়ে ১৫ বছরের ক্ষমতায় দেশের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন সাধনে অগ্রাধিকার দেয় সরকার। যার অংশ হিসেবে বড় বড় প্রকল্প (মেগা প্রজেক্ট) হাতে নেওয়া হয়। আর চতুর কাদের দুর্নীতি-লুটপাট ও অনিয়ম করার সুযোগ সেখানে বেশি পাওয়া যাবে মাথায় রেখেই সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় হাতছাড়া করতে রাজি হতেন না।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
নীতিবাক্য আওড়ে নিজেই নীতিবিরুদ্ধ