নীলফামারীর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রানা মোহাম্মদ সোহেল জনতার হাতে আটক হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলা সদরে। পরে তাকে পুলিশের কাছে সেপার্দ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা, রবিবার বিকেলে উপজেলার পাকুড়িয়া ব্রিজের কাছে তার গাড়িটি যানজটে পড়ে। এ সময় এক অটোরিকশা চালক তার গাড়িটি সরিয়ে পরে ব্রিজে ওঠার জন্য বললে এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে সাবেক এমপি রানা মোহাম্মদ সোহেল ব্যক্তিগত পিস্তল বের করে দুই রাউন্ড গুলি ছোঁড়েন। এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় তিনি নিজেকে সাবেক মেজর দাবি করেন। এক পর্যায়ে জনতা তাকে আটক করে চুনারুঘাট পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
রানা মোহাম্মদ সোহেল জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং নীলফামারী জেলা শাখার সহসভাপতি। ২০১৮ সালে জাতীয় পার্টির নীলফামারী-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন। সোহেল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজরও ছিলেন। তার বাড়ি জলঢাকায়।
চুনারুঘাট থানার ওসি (তদন্ত) কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য জানান, রানা মো. সোহেল রবিবার শ্রীমঙ্গল থেকে চুনারুঘাটে আসেন। তিনি চুনারুঘাট বেড়াতে না সীমান্ত পাড়ি দিতে এসেছিলেন তার সঠিক কারণ জানা যায়নি। পরে শাহজীবাজার সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে চুনারুঘাট থানা থেকে নিয়ে গেছেন বলে জানান ওই গোয়েন্দা সদস্য।
বিগত ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি জনগণ মেনে নেবে না: চরমোনাই পীর