নাটোরে বড় হরিশপুর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের বারান্দা থেকে তরুণ কুমার দাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তির হাত পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকালে শ্মশানের ভোগ ঘরের বারান্দায় তার মরদেহ পড়েছিল। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
মৃত তরুণ কুমার দাস শহরের পৌর এলাকা আলাইপুরের কালীপদ দাসের ছেলে। মহাশ্মশান কমিটির সভাপতি সুবল চন্দ্র দাস তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত তরুণ দাস মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন।
সাধারণ সম্পাদক সত্য নারায়ণ টিপু বলেন, শ্মশানের পাহাড়াদার দুলাল চন্দ্র প্রামানিক শ্মশানে গিয়ে দেখতে পান ভোগ ঘরের বারান্দায় তরুণ দাসের মরদেহ পড়ে আছে। আমরা সংবাদ পেয়ে সেখানে গিয়ে পুলিশকে খবর দেই। তবে গত রাতে শ্মশানের ভান্ডার ঘর থেকে কাসার কিছু বাসনপত্র চুরি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
মৃত তরুণের ছেলে তপু কুমার দাস বলেন, তার বাবা দীর্ঘ দিন যাবত শ্মশানে থাকতেন। তার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে তরুণ কুমারকে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উৎঘাটনে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
জানা গেল নারী পুলিশের দিকে তাকিয়ে আসামির হাসির কারণ
জানাজা শেষে লাশ অবরুদ্ধ, দুই ঘণ্টা পর মুক্ত