জামালপুর শহরে বিএনপির দলীয় অফিসে গুলিবর্ষণ ও একটি বেসরকারি হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর, চাঁদাবাজির মামলার প্রধান আসামি যুবদল নেতা এম শুভ পাঠানসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেইদিনের সিসি টিভির ফুটেজে তাদের কাছে ২টি পিস্তল দেখা যায়। তা উদ্ধারে আসামিদের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে রবিবার গভীর রাতে রাজধানী ঢাকার এলাকার একটি হোটেল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সম্পাদক এম শুভ পাঠান, তার অনুসারী রিপন হাসান হৃদয়, মাসুম মিয়া, রাজু ও ঝুটন মিয়া। তারা সবাই শহরের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ নভেম্বর মধ্য রাতে রাস্তায় গাড়ি অতিক্রম করাকে কেন্দ্র করে পৌর শহরের সরদারপাড়া এলাকায় এমএ রশিদ নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে এম শুভ পাঠানের নেতৃত্বে হৃদয়, রাজু ও মাসুমসহ কয়েকজন আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা-ভাঙচুর করে। পরে ওই হাসপাতালের পাশে শাহীন নামের এক ব্যক্তির বাড়িতেও ভাঙচুর করে। পরে তারা বিএনপির অফিসে গিয়ে ভাঙচুর এবং ২ /৩ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। ওই সময় ঘটনাটি শহরের ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করে।
এ ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও শাহীন বাদী হয়ে পৃথক দুইটি মামলা করেন। মামলার পর থেকে তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বিভিন্ন তথ্য ও প্রযুক্তি সাহায্যে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে রাজধানীর গুলশান ২ নম্বর রোডের একটি হোটেল থেকে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে অস্ত্র উদ্ধারের জন্য আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জামালপুরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৩০ নভেম্বর হাসপাতালের পরিচালক ও একজন কর্মচারী পৃথক দুটি মামলা করেন। সেই মামলার তদন্তে রাজধানী থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা সড়ক পারাপার নিয়ে এ ঘটনা ঘটায় বলে স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। তবে তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সরকারি ভাতা নিচ্ছেন 'সানি লিওন', ফাঁস হলো রহস্য
রাবিতে রক্তে লেখা ব্যানারে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবি
নিম্নমাধ্যমিক-মাধ্যমিক স্কুলে ২০২৫ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশ