সচিবালয়ে আগুন নেভাতে গিয়ে নিহত ফায়ার ফাইটার সোহানুজ্জামান নয়নের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। একমাত্র ছেলে নয়নকে হারিয়ে মা পাগল হয়ে গেছে। দুই সন্তানের মধ্যে নয়ন ছিল ছোট। বড় বোন সুমির বিয়ে হয়ে গেছে।
সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর থেকে কাঁদতে কাঁদতে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন মা নার্গিস বেগম। সন্তান হারানোর ব্যাথা সইতে না পেরে নিজের বুক চাপড়ে আহাজারি করছেন তিনি।
জানা যায়, নতুন বছরের জানুয়ারিতে ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল ফায়ার ফাইটার সোহানুজ্জামান নয়নের। বাবা আখতারুজ্জামান স্তব্ধ হয়ে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন। তিনি বিশ্বাসই করতে পারছেন না তার ছেলেটি আর ফিরবে না। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীরাও কাঁদছেন নয়নের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে। তারাও শোকে পাথর হয়ে গেছে। বিকালে নয়নের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
নিহত সোহানুজ্জামান নয়ন (২৪) রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ১১ নম্বর বড়বালা ইউনিয়নের ছড়ান আটপুনিয়া গ্রামের কৃষক আখতারুজ্জামান দুদুর ছেলে। তিনি দুই বছর ধরে ফায়ার সার্ভিসে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের বাবা ও স্বজনরা বলছেন, নয়নই ছিল পরিবারের ভরসা। তাকে ঘিরেই স্বপ্ন দেখতেন তার মা-বাবা ও বোন। কিন্তু হঠাৎ এমন মৃত্যুতে যেন পুরো পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেল। এমন মৃত্যু তারা মেনে নিতে পারছেন না।
মিঠাপুকুর ফায়ার স্টেশনের ইন্সেপেক্টর মশিউর রহমান জানান, দুপুর আড়াইটার সময় লাশ নিয়ে রওনা দিয়েছে। রাস্তায় কোনো যানজট না থাকলে রাত ৮টার দিকে লাশ এসে পৌঁছাবে গ্রামে।
ব্যর্থতার দায় আমাদেরও আছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
বুধবার রাতে আগুন লেগেছিল ইস্কাটনের সচিব নিবাসেও