বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্মম ইতিহাস তাদের নেতার (শেখ মুজিব) ছবি-ভাস্কর্য যেখানে ছিল বাংলাদেশের মানুষ তা মুছে ফেলেছে। আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম সবার সামনে ভেসে আসছে। কারণ হচ্ছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে চলে গিয়েছে।
আজ রবিবার (১৯ জানুয়ারি) জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কেন চাইছি আমরা। একটি নির্বাচিত সরকার ছাড়া ম্যান্ডেড পাওয়া যায় না। সংস্কার করতে হলেও পার্লামেন্ট লাগবে। নির্বাচন যত দ্রুত হবে দেশে সংকট তত দ্রুত কাটবে। রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
সংস্কারের দোহাই দিয়ে নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংস্কার নিয়ে দুই বছর আগেই বিএনপি ৩১ দফা দিয়েছে। তাই খোঁড়া যুক্তি চলবে না, যে সংস্কার আগে তারপর নির্বাচন। নির্বাচিত শক্তি ছাড়া সংস্কার বৈধতা পায় না, শক্তি পায় না।
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো করতে রাজনৈতিক সরকার অপরিহার্য। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। আবারও দুর্নীতি শুরু হয়ে গেছে, প্রশাসনে যে আমলারা আছে, তারা আবার আগের কাজ শুরু করে দিয়েছে। সেদিকে নজর দিন। যত দ্রুত নির্বাচন হবে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা করা ততই সম্ভব হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, জিনিসপত্রের দাম এখন এমনভাবে বাড়ছে যে মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে। অন্তর্বর্তী সরকারকে বলব দয়া করে ওদিকে নজর দিন। দয়া করে সুশাসনের দিকে নজর দিন। এখন সরকারি যে আমলা কর্মকর্তা রয়েছে তাদের মধ্যে দুর্নীতি শুরু হয়ে গেছে, দয়া করে ওদিকে নজর দিন। যাতে সুশাসন দিতে পারে সেদিকে নজর দিন।
আলোচনাসভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি অংশ নেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভায় বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
আশুলিয়ায় বেপরোয়া বাসচাপায় প্রাণ গেলে পোশাক শ্রমিকের
চিকিৎসককে হত্যা মামলার আসামি করায় ডা. রফিকের উদ্বেগ