প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকতে দুর্বার রাজশাহীর জন্য সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে জয় ছিল বাধ্যতামূলক। যদিও ১১৮ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়েছিল তাসকিন আহমেদের দল। তবে রায়ান বার্ল ও আকবর আলীর দৃঢ়তায় ৫ উইকেটের দারুণ জয় তুলে নেয় তারা।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিলেটের ১১৭ রানের জবাবে শুরুটা ভয়াবহ ছিল রাজশাহীর। ইনিংসের প্রথম পাঁচ ওভারের মধ্যেই ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল তারা।
প্রথম ওভারে সাব্বির হোসেনকে মাত্র ১ রানে ফিরিয়ে সিলেটকে দারুণ শুরু এনে দেন তানজিম হাসান সাকিব। দ্বিতীয় ওভারে আউট হন ওপেনার জিসান আলম। জন রাস জাগেশ্বরের বলে বড় শট খেলার চেষ্টায় আরিফুল হকের হাতে ধরা পড়েন তিনি। পরের ওভারে বিজয় শূন্য রানে বিদায় নেন। তানজিমের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে স্লিপে ক্যাচ দেন তিনি। চতুর্থ ব্যাটার ইয়াসির আলী ২ রানে আউট হলে রাজশাহী বিপাকে পড়ে যায়।
২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং ধসের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা রাজশাহীকে ম্যাচে ফেরান রায়ান বার্ল ও আকবর আলী। তাদের ৭৫ রানের কার্যকর জুটি ম্যাচের ভাগ্য ঘুরিয়ে দেয়। আকবর ৪৩ রানে আউট হলেও বার্ল শেষ পর্যন্ত ৪৮ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন।
আকবরের বিদায় আসে আহসান হাফিজ ভাট্টির বলে। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাট করতে গিয়ে রুয়েল মিয়ার হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তবে ব্যাটিং অর্ডারের চাপ সামলে বার্ল নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
রাজশাহীর এই জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে। দিনের প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্স হেরে যাওয়ায় প্লে-অফে খেলার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়েছে। খুলনা নিজেদের শেষ দুই ম্যাচে একটিতে হারলেই চতুর্থ দল হিসেবে সেরা চারে জায়গা করে নেবে রাজশাহী।
এই হারের মাধ্যমে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপিএল মিশন শেষ হলো। আরিফুল হকদের শেষ ম্যাচটা ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
সিলেট স্ট্রাইকার্স: ১১৭ (এসএম মেহেরব ৪/১৫, মৃত্যুঞ্জয় ৩/২৯)
দুর্বার রাজশাহী: ১১৮/৫ (রায়ান বার্ল ৪৮*, আকবর আলী ৪৩)
ফল: রাজশাহী ৫ উইকেটে জয়ী।
চাপের মুখে আমোরিম: বয়স বেড়ে গেছে ১০ বছর!
ভক্ত থেকে শিরোপা জয়ের নায়ক