পায়ুপথের সার্জারির পরবর্তী পরিচর্যা

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:০৩ এএম

পায়ুপথ বা মলদ্বারের রোগ বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। তবে বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্যকে এ রোগের প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হয়। মলদ্বারের সাধারণ রোগগুলো হলো পাইল্স, ফিস্টুলা, ফিসার, এনাল ফিসার, রেকটাম ক্যানসার, রেকটাম পলিপ, ক্রনস ডিজিস, আলসারেটিভ কোলাইটিস, রেক্টাল ক্যানসার, কোলন ক্যানসার, বৃহদান্ত্রের ক্যানসার, আইবিস প্রভৃতি। এসব রোগের মধ্যে অনেক রোগেরই শুরুতে সঠিক ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা নিলে রোগী অপারেশন ছাড়াই সুস্থ হয়ে যায়। তবে সময়ক্ষেপণ ও জটিল হয়ে গেলে অপারেশন প্রয়োজন। যেকোনো অপারেশনের পর রোগীর বিশেষ যত্ন নেওয়ার দরকার হয়।

শরীরের অন্যান্য স্থানের সার্জারির সঙ্গে পায়ুপথের সার্জারির কিছু পার্থক্য রয়েছে।

পায়ুপথের সার্জারির পর সাধারণত সেলাই হয় না। প্রতিদিন অপারেশনের স্থান মলের সংস্পর্শে আসে।

 প্রচুর পরিমাণে পানি ও রস নিঃসরণ হয়। এর ফলে ক্ষতস্থান শুকাতে দীর্ঘ সময় লাগে।

তাই পায়ুপথের সার্জারির পর যে যত্নগুলো নেওয়া প্রয়োজন :

পাইলস সার্জারি, ফিসার সার্জারি। ফিস্টুলা সার্জারি, সাধারণত জটিল ফিস্টুলা,

পুঁজ হয়ে যাওয়া বা এবসেস সার্জারি মলদ্বার চিকন হয়ে যাওয়ার অপারেশন (এনাল স্টেনোসিস)।

যা করতে হবে

পরিষ্কার রাখাই প্রধান কাজ

অনেক দিন ধরে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই প্রয়োজনে ড্রেসিং করা নরম কাপড় বা গজ ব্যবহার করা কোনো ধরনের টিস্যু ব্যবহার না করা সিজ বাথ বা গরম পানির সেঁক নেওয়া প্রয়োজনীয় ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ।

ক্ষত শুকানোর সময়

পায়ুপথের সার্জারির পর ক্ষত শুকাতে শরীরের অন্যান্য জায়গার তুলনায় অধিক সময় লাগে। কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস লাগতে পারে। এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। সবার শরীরের ক্ষত শুকানোর ক্ষমতা এক রকম নয়। কারও বেশি সময় লাগে কারও কম। ধৈর্য সহকারে পরিচর্যা করলে এবং নিয়মকানুন মেনে চললে ক্ষত দ্রুত শুকিয়ে যায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত