অনেকেই আছেন দীর্ঘসময় বসে থাকার পর উঠতে গিয়ে পায়ে চাপ পড়ে। পা অসাড় বোধ করেন। দ্রুত উঠে দাঁড়াতে পারেন না। যন্ত্রণা কমাতে ব্যথানাশক ওষুধ খান, স্প্রে ব্যবহার করেন। তবে সব সময়ে তা কাজে দেয় না। ব্যায়াম করলে আরাম মেলে। এই সমস্যার সমাধান কী হতে পারে জেনে নিন
প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পায়ে তেল মালিশ করতে পারেন। তাতে প্রদাহজনিত সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। পেশির ব্যথায় আরাম মেলে। সরিষা, নারকেল কিংবা অলিভ অয়েল দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পায়ে মাসাজ করতে পারেন। তেল হালকা গরম করে নিলে বেশি আরাম হবে।
শরীরে খনিজের ঘাটতি হলেও অনেক সময়ে পায়ের পেশিতে টান ধরে, যন্ত্রণা করে। ব্যথা কমাতে হালকা গরম পানিতে পা ডুবিয়ে রাখেন অনেকে। তবে ওই পানির মধ্যে অ্যাপ্ল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নিলেও উপকার হবে। পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ রয়েছে অ্যাপ্ল সিডার ভিনিগারে। পানির মধ্যে পা ডুবিয়ে রাখলে ত্বকের সূক্ষ্ম ছিদ্রের মধ্যে দিয়ে খনিজগুলো সহজে শরীরে প্রবেশ করে। ঘরোয়া এই টোটকায় পায়ের ব্যথা উপশম হয়।
পায়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম রয়েছে, নিয়মিত সেগুলো অভ্যাস করলে উপকার পাবেন।
গোটা শরীরের ভার বইতে বইতে পায়ের হাড়, পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার খেলে এবং শরীরে পর্যাপ্ত রোদ লাগালে সমস্যার সমাধান হতে পারে। রক্ত পরীক্ষা করে যদি শরীরে ওই খনিজগুলোর অস্বাভাবিক রকম ঘাটতি দেখা যায়, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন।
পানির অভাবে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে। তখন শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এই কারণে ঘুমের মধ্যে অনেকের পায়ের পেশিতে টান ধরে, ব্যথা হয়। তাই চিকিৎসকরা বলেন, সারা দিনে অন্ততপক্ষে ২ থেকে ৩ লিটার পানি খেতে পারলে এই ধরনের সমস্যা হবে না।
