শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। রোজা শুধু ধর্মীয় বিধিবিধানের অংশ নয়; বরং এটি বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যনীতিরও একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে।
রোজা থাকা অবস্থায় অনেক চিকিৎসা নেওয়া যাবে যা অনেকেই জানেন না। যেমন
ইনহেলার, নাকের স্প্রে ব্যবহার করা যাবে।
চোখ ও কানের ড্রপ ব্যবহার করা যাবে।
হার্টের এনজাইনার সমস্যার জন্য বুকে ব্যথা উঠলে ব্যবহৃত নাইট্রোগ্লিসারিন ট্যাবলেট বা স্প্রে জিহ্বার নিচে ব্যবহার করলে রোজা নষ্ট হবে না।
রোজা রেখে শিরাপথে খাদ্য-উপাদান ছাড়া কোনো ওষুধ ত্বক, মাংসপেশি বা হাড়ের জোড়ায় ইনজেকশন হিসেবে প্রয়োগ করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
স্যালাইন বা গ্লুকোজ জাতীয় কোনো তরল শিরাপথে গ্রহণ করা যাবে না।
রোজা রেখে অক্সিজেন কিংবা চেতনানাশক গ্যাস গ্রহণে রোজা নষ্ট হবে না।
চিকিৎসার প্রয়োজনে ক্রিম, অয়েনমেন্ট, ব্যান্ডেজ, প্লাস্টার ইত্যাদি ব্যবহার এবং এসব উপাদান ত্বকের গভীরে প্রবেশ করলেও রোজায় সমস্যা হবে না।
রোজা রেখে দাঁত তোলা, দাঁতের ফিলিং এবং ড্রিল ব্যবহার করা যাবে। দাঁত পরিষ্কার করার সময় অসাবধানতাবশত কিছু গিলে ফেললে রোজা নষ্ট হবে না।
রোজা রেখে রক্ত পরীক্ষার জন্য রক্ত দিতে, রক্তদান এবং রক্তগ্রহণেও বাধা নেই।
পায়ুপথে সাপোজিটোরি ব্যবহার করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
জরায়ু পরীক্ষার জন্য হিস্টেরোস্কপি এবং আই.ইউ.সি.ডি ব্যবহার করা যাবে।
হার্ট কিংবা অন্য কোনো অঙ্গের এনজিওগ্রাফি করার জন্য কোনো রোগ নির্ণয়কারক দ্রবণ শরীরে প্রবেশ করালে রোজায় ক্ষতি হবে না।
কোনো অঙ্গের অভ্যন্তরীণ চিত্রধারণের জন্য সেই অঙ্গের প্রবেশপথে ক্যাথেটার বা নালির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তরল রঞ্জক প্রবেশ করালে রোজা নষ্ট হবে না।
রোগ নির্ণয়ের জন্য এন্ডোস্কোপি বা গ্যাস্ট্রোস্কোপি করলেও রোজা নষ্ট হয় না। তবে এন্ডোস্কোপি বা গ্যাস্ট্রোস্কোপি করার সময় ভেতরে তরল কিংবা অন্য কোনো কিছু প্রবেশ করানো যাবে না, যার খাদ্যগুণ রয়েছে।
মাউথওয়াশ, মুখের স্প্রে ব্যবহার করা যাবে এবং গড়গড়া করা যাবে।
রোজা রাখা অবস্থায় লিভারসহ অন্য কোনো অঙ্গের বায়োপসি পেরিটোনিয়াল কিংবা মেশিনে কিডনি ডায়ালাইসিস করা যাবে।