সহিংস জনজোট : বিচার কোথায়

আপডেট : ১০ মার্চ ২০২৫, ০৪:১৯ এএম

জোটবদ্ধ সহিংসতা কিছুতেই থামছে না। একের পর এক ঘটেই চলছে মব সহিংসতা। দিনে-দুপুরে রাস্তাঘাট, শিক্ষাঙ্গনসহ যেখানে সেখানে মব জাস্টিস চলছে। গভীর রাতেও বাসাবাড়িতে জোটবদ্ধ আক্রমণ হচ্ছে। শিক্ষার্থী, নারী, বিভিন্ন পেশার মানুষ, বিদেশি নাগরিক, এমনকি পুলিশ পর্যন্ত মব সহিংসতার শিকার হচ্ছে। এতে অনেকে প্রাণ হারাচ্ছেন, আহত হচ্ছেন, অপদস্থ হচ্ছেন। ‘মব’ শব্দটি এখন জনজীবনে রীতিমতো আতঙ্ক হয়ে বিরাজ করছে। মনে হয় লোকজন জোটবদ্ধ হয়ে কোথাও ওঁৎ পেতে আছে, এই বুঝি আক্রমণ চালাল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকেও অনেকটা অসহায় মনে হচ্ছে। তিনি এ ব্যাপারে জনগণের সহযোগিতা চেয়ে বলেছেন, ‘জনগণ উচ্ছৃঙ্খল হলে বাহিনী দিয়ে থামানো যায় না।’ মব সহিংসতা অনেকটা বেড়েছে, গত কয়েকদিনে সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর থেকে তার কিছু নমুনা পাওয়া যাবে। প্রাসঙ্গিক হওয়ায় এখানে সে সব ঘটনার উল্লেখ করা প্রয়োজন। গত ৪ মার্চ রাতে একদল লোক জোটবদ্ধ হয়ে গুলশানের একটি বাসায় জোর করে ঢুকে ভাঙচুর, তছনছ ও লুটপাট করে। মব হামলার নেতৃত্ব দেওয়া লোকজনের দাবি, বাড়িটি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা প্রয়াত এইচটি ইমামের ছেলে তানভীর ইমামের। বাড়িটিতে বিপুল অর্থ, অবৈধ অস্ত্র ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। প্রকৃত তথ্য হচ্ছে, বাড়িটির মালিক এখন অন্য এক ব্যক্তি। ২০০১ সালে তানভীরের বিয়েবিচ্ছেদ হয়ে যায়। তল্লাশি চালালে ২০০-৩০০ কোটি টাকা পাওয়া যেতে পারে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে লুটপাটের উদ্দেশ্য নিয়ে মব হানা দেয় ওই বাসায়। দীর্ঘ সময় ধরে তারা তা-ব চালায়। হামলাকারীরা বিভিন্ন টিভি চ্যানেলকে খবর দিয়ে এনে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। ঘটনার অনেক পরে পুলিশ, সেনাবাহিনী হাজির হয়। তাদের সামনে দিয়েই হামলাকারীরা চলে যায়। বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে পরে ৩ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ২ মার্চ সকালে ভোলার চরফ্যাশনের একটি গ্রামে চুরির অভিযোগ তুলে এক ব্যক্তিকে বেধড়ক পিটিয়ে তার দুই চোখ উপড়ানো এবং হাতের একটি আঙুল কেটে নেওয়া হয়। এই মব হামলায় ছিল ২০ থেকে ২৫ জন যুবক। ওই একই তারিখ, রাতে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ওরস বন্ধে একটি মাজারে ‘তৌহিদি জনতা’র ব্যানারে হামলা চালিয়ে ফটকে ভাঙচুর চালানো হয়। সম্প্রতি রাজধানীর লালমাটিয়ায় টং দোকানে বসে সিগারেট খাওয়ার জন্য ‘মব’ দুই নারীর গায়ে হাত তোলে। প্রতিবাদ করলে তাদের ‘বেশ্যা’ গালি দিয়ে জামাকাপড় টেনে ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। ৫ মার্চ দুপুর শাহবাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে ‘পোশাক ঠিক  নেই’ ইত্যাদি বলে হেনস্তা করে বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির অর্ণব নামে এক কর্মচারী। তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়। ‘তৌহিদি জনতা’ পরিচয়ে একদল লোক তার মুক্তির দাবিতে রাতে থানায় ‘মব’ তৈরি করে। সকালে ছাত্রনেতারা মধ্যস্থতা করেন। আদালতে তোলার পর বাদী মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন। পরে আদালত অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেয়। তৌহিদি জনতা উক্ত কর্মচারীর মাথায় পাগড়ি পরিয়ে এবং মালা দিয়ে তাকে বরণ করে। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে ধর্ষণ, হত্যাসহ নানান হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই ছাত্রী। তিনি জানিয়েছেন যে, তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে। তাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তার পরিবারকেও গালিগালাজ করা হচ্ছে। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমি হয়তো স্বাভাবিক পোশাক পরেও বের হতে পারব না। 

রাষ্ট্র কি আমাকে আদৌ নিরাপত্তা দিতে পারবে?’ ৬ মার্চ দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতায় ‘মব-এ মারছে মানুষ’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরে বলা হয় ‘মব’ তৈরির মাধ্যমে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। যখন যাকে খুশি ডাকাত, ছিনতাইকারী, চোর আখ্যা দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলা হচ্ছে। এমন নির্মম গণপিটুনির ঘটনায় দোষীরা আইনের আওতায় আসছে কম। মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি (এইচ আর এস এস) জানায়, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে ১৯টি গণপিটুনির ঘটনায় ৭৯২ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২০১টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে ২০২৪ সালে। এসব ঘটনায় গণপিটুনিতে মারা গেছে ১৭৯ জন। এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত বছরের আগস্ট থেকে এই বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে গণপিটুনির অন্তত ১১৪টি ঘটনায় কমপক্ষে ১১৯ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৭৪ জন। ৫ মার্চ বুধবার প্রকাশিত সংস্থাটির প্রতিবেদনে গত ১০ বছরের মধ্যে ২০২৪ সালকে গণপিটুনির ঘটনার জন্য সবচেয়ে ভীতিকর হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সম্প্রতি মানুষকে হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। এসব ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা বা এফআইআর হলেও সুষ্ঠু তদন্ত বা গণপিটুনিতে জড়িত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতের ঘটনা খুবই কম। এসব ঘটনায় দোষীরা আইনের আওতায় না আসায় দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের বিচারহীনতার রেওয়াজ তৈরি হয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রথম গণপিটুনির ঘটনার পর, প্রখ্যাত সাংবাদিক নির্মল সেন দৈনিক বাংলায় ‘স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই’ শিরোনামে সেই সাড়া জাগানো লেখাটি লেখেন। অথচ এই রাষ্ট্রে আজও স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নেই! গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা অনেক অনেক গুণ বেড়ে গেছে। কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না জনজোটের সহিংসতা। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর শুরু হয় নানা ধরনের মব সহিংসতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে এক যুবককে ভাত খাওয়ানোর পর কয়েকজন যুবক তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্রকেও পিটিয়ে হত্যা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ বা শিক্ষককে ‘বিচারের’ নামে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। অনেককে অপমান করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়। আবার অনেককে কাজে যোগদানে বাধা দেওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে ভূমিকা পালন করার। কিন্তু এর পরে বড় ঘটনা ঘটে গত ৫ ফেব্রুয়ারি। ধানম-ি ৩২ নম্বরের শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে (যা পরবর্তী সময়ে জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হয়) ব্যাপক হামলা, অগ্নিসংযোগ করা হয়। ভেকু ও বুলডোজার দিয়ে বাসভবনটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ছাত্র জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনা সামাজিক মাধ্যমে ভাষণ দেবেন, ঠিক এই খবরে ছাত্র-জনতা ৩২ নম্বরে এই ঘটনা ঘটায়। বিভিন্ন মহল থেকে ৩২ নম্বরে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও পরবর্তী সময়ে ভেঙে ফেলার প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রশ্ন ওঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয় ভূমিকা নিয়ে।

মব হামলার হাত থেকে পুলিশও রেহাই পাচ্ছে না। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, গত ছয় মাসে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের ওপর ২২৫টি হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ৭০টি হামলা বড় ধরনের আলোচনা তৈরি করে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ২৪টি, অক্টোবরে ৩৪, নভেম্বরে ৪৯, ডিসেম্বরে ৪৩,  জানুয়ারিতে ৩৮ এবং ফেব্রুয়ারিতে ৩৭টি ঘটনা ঘটে (প্রথম আলো ৭ মার্চ)। হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে মাজারে। গত আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত দেড় শতাধিক মাজারে কোথাও ‘তৌহিদি জনতা’ আবার কোথাও অন্য কোনো ব্যানারে এসব হামলা চালানো হয়। মব তৈরি করে বিভিন্ন স্থানে লালন উৎসব, বসন্ত উৎসবসহ অনেক গানের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। দিনাজপুর ও জয়পুরহাটে নারীদের ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করতে খেলার মাঠে আক্রমণ চালানো হয়। ঝিনাইদহে হরিণাকুন্ডের একটি গ্রামে নোটিস দিয়ে বাদ্যযন্ত্র এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে গান-বাজনার ওপর অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। একের পর এক জোটবদ্ধ সহিংসতার ঘটনায় সর্বত্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, মব জাস্টিস কি চলতেই থাকবে? দেশের বাইরে ভুল বার্তা যাচ্ছে, যা অন্তর্বর্তী সরকারের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিভিন্ন থানায় হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটছে। গত এক সপ্তাহে কমপক্ষে এমন ৪টি ঘটনার খবর সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুধু চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে পুলিশের কাছ থেকে অন্তত ১৩টি আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও কোথাও থানায় ঢুকে পুলিশ সদস্যদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক মঞ্চ থেকেও পুলিশকে উদ্দেশ করে হুমকি দেওয়ার ঘটনাও আছে।

জনজোটের সহিংসতা বা মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে জোরালো কোনো প্রতিবাদ লক্ষ করা যাচ্ছে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থী হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর দিক থেকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ মিছিল বা সমাবেশের খবর জানা নেই। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার মধ্যরাতে বিক্ষোভ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অথচ গত জুলাই অভ্যুত্থানে সামনের সারিতে ছিলেন নারীরা। রাজপথের মিছিল, সমাবেশ ও অনলাইনে সোচ্চার ছিলেন নারী শিক্ষার্থীরা। পুলিশের গুলির সামনে সাহসী নারীরা দাঁড়িয়েছিলেন। পুলিশের প্রিজনভ্যানের পথরোধ করে একা দাঁড়িয়ে থাকা তরুণীর কথা ভোলার নয়। আন্দোলনের যোগ দিয়েছিলেন ছাত্রী, কর্মজীবী নারী ও গৃহবধূরাও। অথচ আজ সেই নারীরাই হেনস্তার শিকার হচ্ছেন রাস্তাঘাটে, যেখানে সেখানে। মব হামলার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলোরও কোনো কর্মসূচি নেই। তবে শুক্রবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, ‘নারীদের হেনস্তা করে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হচ্ছে। উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, রাস্তাঘাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারীদের বিভিন্নভাবে হেনস্তা করার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের প্রবণতা বিপজ্জনক। নারীদের সম্মান রক্ষা ও নারী স্বাধীনতা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, যা নারীদের সংবিধান স্বীকৃত অধিকার।’ নারী নির্যাতনসহ সার্বিক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ এখন চরম উদ্বিগ্ন বলে বিবৃতিতে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। মব হামলা দেশে এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। জোটবদ্ধ এই সহিংসতা দ্রুত বন্ধ হওয়া দরকার। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সক্রিয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করা জরুরি। গুলশানের একটি বাসায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মাত্র তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অথচ এই হামলার সময় ২০ থেকে ২৫ জন লোক বাসায় ঢুকেছিল। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন ওঠে, অন্য ব্যক্তিদের কি আইনের আওতায় আনা হবে না? আগামী দিনে আর কোনো মব হামলা ও নারী হেনস্তার ঘটনা যাতে না ঘটে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সে ব্যাপারে কী পদক্ষেপ নেয় তাই এখন দেখার বিষয়।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক ও কলাম লেখক

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত