সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের সানাপাড়ায় ধান ক্ষেতে পানি দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আনারুল ইসলাম (৫০) নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে।
ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শিল্লুর রহমান জানান, নিহত আনারুল ইসলাম মৃত আমের আলীর পুত্র এবং পেশায় চা-বিক্রেতা ছিলেন। তিনি বালুইগাছা গ্রামের লক্ষ্মণ পালের ইরিধান ব্লকের ৮ কাঠা জমিতে ইরি ধানের চাষ করতেন। তবে জমিতে পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ায় ২ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে লক্ষ্মণ পালের স্ত্রী নমিতা পাল (৪০) ও তার ছেলে জয়পালের (২২) সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে নমিতা পাল ও জয়পাল মিলে আনারুল ইসলামকে ধাক্কা দেয় এবং কাচি দিয়ে আঘাত করে। এতে তিনি ধানখেতে পড়ে যান। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে নমিতা পাল ও তার স্বামী লক্ষ্মণ পালকে আটক করে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (অপারেশন) সুশান্ত কুমার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, মূল অভিযুক্ত জয়পাল পালিয়ে গিয়েছে, এবং তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
হত্যাকাণ্ডের পর বিকেলে উত্তেজিত জনতা প্রতিশোধের নেশায় অভিযুক্ত লক্ষ্মণের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু নিয়ে যায়। বর্তমানে গরুগুলো ধুলিহর সানাপাড়ার নুরমান আলীর পুত্র আরশাদ আলীর জিম্মায় রয়েছে। এ বিষয়ে সদর থানার ওসি (অপারেশন) সুশান্ত কুমার জানান, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসামিদের পরিবারের কাছে গরুগুলো হস্তান্তর করা হবে।
মসজিদের সভাপতি পদ থেকে অপসারণ করায় মুসুল্লিদের ওপর হামলার অভিযোগ
ড. খলিলুরের সঙ্গে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোনালাপ