গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) টানা বিমান হামলা চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৮৬ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে এবং আহত করেছে আরও অন্তত ২৮৭ জনকে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ। সর্বশেষ এ হামলার পর গত দেড় বছরে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৬০৯ জনে, এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৬৩ জন। হতাহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা প্রায় ৫৬ শতাংশ।
এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর, যখন গাজার নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র সংগঠন হামাস হঠাৎ ইসরায়েলের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এতে প্রায় ১,২০০ ইসরায়েলি নিহত হন এবং আরও ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়।
জিম্মিদের উদ্ধারে সেদিন থেকেই গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। টানা ১৫ মাস ধরে চলা এই অভিযান আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০২৪ সালের ১৯ জানুয়ারি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়। তবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ না হতেই ১৮ মার্চ থেকে পুনরায় শুরু হয় আইডিএফের হামলা। দ্বিতীয় ধাপের এই অভিযানে মাত্র ১৫ দিনেই প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি।
হামাসের হাতে থাকা ২৫১ জন জিম্মির মধ্যে এখনো অন্তত ৩৫ জন জীবিত আছেন বলে ধারণা করছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের উদ্ধারে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে আইডিএফ।
এদিকে, গাজায় চলমান সংঘাত বন্ধে একাধিকবার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। ইতোমধ্যে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতেও (আইসিজে) মামলা করা হয়েছে।
তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামাসকে সম্পূর্ণরূপে নিঃশেষ এবং জিম্মিদের মুক্ত না করা পর্যন্ত এই অভিযান বন্ধ হবে না।
আলোর রেখা বে টার্মিনালে
রাতুল প্রপার্টিজের সিইওর মা রাশেদা বেগম মারা গেছেন