ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ অবসানে রাশিয়ার সঙ্গে কোনো চুক্তি হওয়ার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে ট্রাম্প জেলেনস্কির আমন্ত্রণ গ্রহণ করবেন কিনা তা দেখার বিষয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের ‘সিক্সটি মিনিটস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, ‘দয়া করে যেকোনো ধরনের সিদ্ধান্ত, যেকোনো ধরনের আলোচনার আগে বেসামরিক নাগরিক, যোদ্ধা, হাসপাতাল, গির্জা, শিশুদের ধ্বংস দেখতে আসুন।’
রবিবার ইউক্রেনের সুমি শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার আগে এই সাক্ষাৎকারটি রেকর্ড করা হয়, যাতে ৩৪ জন নিহত ও ১১৭ জন আহত হয়।
রাশিয়া বলেছে, তারা ইউক্রেনীয় সেনাদের একটি বৈঠকে দুটি ইস্কান্দার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, এতে ৬০ জন নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, তাকে বলা হয়েছিল— এটি একটি ভুল ছিল, তবে কে তাকে বলেছে তা নির্দিষ্ট করে বলেননি।
ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে হোয়াইট হাউসে ফেরার আগে থেকেই সোচ্চার ছিলেন ট্রাম্প। গত ২০ জানুয়ারি ক্ষমতায় বসার পর এ নিয়ে আরও তৎপর হয়েছেন তিনি। যুদ্ধ থামানোর জন্য ইউক্রেনে বিশেষ দূত হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল কিথ কেলোগকে নিয়োগ দিয়েছেন।
কিথ কেলোগ বলেন, এই হামলা ‘যেকোনো শালীনতার সীমা অতিক্রম করেছে’।
ট্রাম্প যখন যুদ্ধবিরতির সন্ধানে মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছেন, তখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বেসামরিক নাগরিকদের ওপর রাশিয়ার অব্যাহত হামলার কথা তুলে ধরেছেন।
মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইতিমধ্যে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তিনটি বৈঠক করেছেন এবং কিয়েভ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে মস্কো এটিকে কাজে লাগাবে।
