‘মে দিবস বুঝি না, একদিন কাজ না করলে ভাত জোগাড় হবে না’

আপডেট : ০১ মে ২০২৫, ১২:২২ পিএম
লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার এক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের হয়ে রাস্তা উন্নয়নের কাজ করছেন রুমা আক্তার ও তার সঙ্গীরা। সড়কে মাটিকাটা ও ইট তোলা তাদের কাজ। রোদ-বৃষ্টি, ঝড়-তুফান যাই হোক প্রতিদিন কাজ করতেই হবে। 'মে দিবস' কি? কী কারণে এই দিনটিকে ‘মে দিবস’ বলা হয়? তা জানা নেই রুমানাদের! কেবল জানেন, একদিন কাজ না করলে পরদিন আর পেটের ভাত জোগাড় হবে না।

জানতে চাইলে কাজের ফাঁকে এমন কথাই বলেন রুমানা ও তার সঙ্গীরা। দিবস কী জানতে চাইলে সরল মৃদু হাসি দিয়ে বলেন ‘এত কিছু বুঝে কী হবে বলেন, মজুরি তো আর বাড়বে না! বাড়লে বুঝে দেখতাম দিবস দিয়ে লাভ হয়।

একই সুরে সুর মিলিয়ে রুমা সঙ্গী মো. হোসেন বলেন, মে দিবস আর শ্রম দিবস কাকে বলে তা বুঝি না। আমরা বুঝি একদিন কাজ না করলেই না খেয়ে থাকতে হবে।

জীবন-জীবিকার টানে তাই শরীরের সর্বোচ্চ শক্তি খাটিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলছেন। লক্ষ্য একটাই-সারাদিন রোদে পুড়ে, হাড়ভাঙা খাঁটুনির পর গামছাবাঁধা চাল-ডাল নিয়ে বাড়ি ফেরা।

রুমা সঙ্গী আরও এক নারী শ্রমিক নিসি বলেন, ‘কর্মক্ষেত্রে হামরা হয়রানির শিকার হই। মজুরির ক্ষেত্রেও করা হয় বৈষম্য। তবুও হামরা প্রতিবাদ করতে পারি না। কেউ হামার পাশত দাঁড়ায়ও না। ’


 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত