গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুরসহ আগুন দিয়েছে বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা। আজ শনিবার (১০ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলায় আ. লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় শহরের উপজেলা গেইট সংলগ্ন উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের গেইট-দরজা, জানালার গ্রিল, চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুরসহ তাতে আগুন দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধধকরণ, জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশ ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের পালিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিকেলে ব্লকেড এবং অবস্থান কর্মসূচির ডাক দেয় সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা।
কর্মসূচি চলাকালীন বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা হাতুর হাতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। পরে কার্যালয়ের সামনে আসবাবপত্র আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে শহরের চৌমাথা মোড়ে বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এতে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জুবায়ের হোসেন, পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা আবু তালেব মাস্টার, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি শামীম হাসান, উপজেলা শিবির সভাপতি জুয়েল রানা (পশ্চিম), আল ইমরান (পূর্ব), পৌর সভাপতি আব্দুল্লাহ রুবেল ও জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক মাসুদ রানা শেখ।
বক্তারা বলেন, অতি দ্রুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশের দাবিও জানান তারা। এসব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান তারা।
জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক মাসুদ রানা শেখ বলেন, অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন বিক্ষুদ্ধ ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুরসহ আগুন দেয়। এতে তাদের সংগঠনের কেউ জড়িত নন।
পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি শামীমম হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুর-আগুন দেওয়ার ঘটনায় তাদের কোনও সম্পৃক্ততা নেই।
জনগণ আওয়ামী লীগকে আর দেখতে চায় না: প্রিন্স
ঢাকাস্থ ইসলামপুর উপজেলা সমিতির সভাপতি আনোয়ার, সম্পাদক মামুন