বাড়তি দামেও টিসিবি পণ্য কিনতে মানুষের ভিড়

আপডেট : ২৩ মে ২০২৫, ০৪:৪০ এএম

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থাটি ট্রাকসেলে বিক্রিত পণ্যগুলোর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে দাম বাড়নোর পরও প্রচুর মানুষকে টিসিবির পণ্য কিনতে দেখা গেছে।

টিসিবি বলছে, এই কার্যক্রমের আওতায় প্রতিদিন ৬৯০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে ভোজ্য তেল, চিনি ও মসুর ডাল বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৫০টি, চট্টগ্রামে ২০টি, প্রতিটি বিভাগীয় শহরে ১০টি করে এবং অবশিষ্ট ৫৬ জেলা শহরে ১০টি করে ট্রাকে এই পণ্য বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম শুক্রবার ও ছুটির দিনসহ পরিচালিত হবে এবং চলবে আগামী ৩ জুন পর্যন্ত।

টিসিবি এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডের বাইরেও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য শহরাঞ্চলে ভর্তুকি মূল্যে ট্রাকে করে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে। আসন্ন কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে। যেখানে দেওয়া হচ্ছে তিন ধরনের পণ্য। ভোজ্য তেল, চিনি ও মসুর ডাল বিক্রি করা হচ্ছে প্রতিটি ট্রাকে। একেকজন ক্রেতা দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল ও এক কেজি চিনি কিনতে পারছেন।

টিসিবি বলছে তারা এবারে প্রতি লিটার ভোজ্য তেল বিক্রি করছে ১৩৫ টাকা দরে, যা গত ফেব্রুয়ারিতে বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা লিটার হিসেবে। অর্থাৎ এখানে টিসিবি লিটারে ৩৫ টাকা দাম বাড়িয়েছে। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি করা হবে ৮৫ টাকা কেজি দরে, যা আগে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছে টিসিবি। আগে যে মসুর ডাল বিক্রি করেছে টিসিবি ৬০ টাকায় সেটা ২০ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে।

অথচ সর্বশেষ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮৯ টাকা নির্ধারণ করে। তবে খোলাবাজারে চিনি ও মসুর ডালের দাম স্থিতিশীল থাকলেও টিসিবি এসব পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। টিসিবি সূত্রে জানা গেছে, সরকার ভর্তুকির টাকা কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণেই পণ্যের দাম বাড়াতে হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত