খুলনায় একই রাতে পৃথক ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই যুবক। গতকাল রবিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে দেড়টার মধ্যে মহানগরীর সোনাডাঙ্গা ও জেলার রূপসা উপজেলায় এসব হত্যাকাণ্ড ঘটে।
সোনাডাঙ্গায় ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন গোলাম (২৬) এবং রূপসায় গুলিতে নিহত হয়েছেন মো. রনি ওরফে কালো রনি (৩৮)।
সোনাডাঙ্গায় নিহত গোলামের বাড়ি হরিণটানা থানার ময়ূর ব্রিজ এলাকার পাশে। তিনি মো. আলী হোসেনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ১২টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে সোনাডাঙ্গা থানাধীন ২২ তলা ডেল্টা ভবনের পেছনের গলিতে কয়েকজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে গোলামকে পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ডিউটি অফিসার এসআই হাসান গোলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২–৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে, একই রাতে জেলার রূপসা উপজেলার মোছাব্বতপুর গ্রামে গুলিতে নিহত হন মো. রনি ওরফে কালো রনি। তিনি আইচগাতি মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আনোয়ার হাওলাদারের ছেলে। রাত ১২টার দিকে তাকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, রাত ১২টার দিকে রনির মোবাইলে একটি ফোন আসার পর তিনি বাড়ি থেকে বের হন। কিছুদূর যেতেই কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা যায়। এলাকাবাসী ছুটে গিয়ে মাঠের মধ্যে তার লাশ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন।
রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, নিহত রনি খুলনার ‘বি’ কোম্পানির গ্রেনেড বাবুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। দুর্বৃত্তরা তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে। গুলিটি মাথা ভেদ করে বের হয়ে যায়, ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, এর আগে ২০১৭ সালে একই কায়দায় রনির ছোট ভাইকেও কুপিয়ে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা।
দুই হত্যাকাণ্ডেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
নতুন মামলায় গ্রেপ্তার সালমান-আনিসুল-পলক
এটিএম আজহারুলের আপিলের রায় কাল, খালাসের প্রত্যাশা আইনজীবীদের