পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার একমাত্র সরকারী বালক মাধ্যমিক বিদ্যালয় সিরাজুল হক সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারী তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বিদ্যালয়টিকে সরকারী ঘোষণা করেন এবং এটি ১ মার্চ ১৯৮৬ সালে কার্যকর করা হয়।
সরকারী ঘোষণাকালীন সময় বিদ্যালয়টিতে মোট ১১ জন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন। সে সময় ১১ জন শিক্ষক দিয়েই পাঠদান কার্যক্রম ঠিকভাবেই চলতো কিন্তু বর্তমানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংখ্যা মাত্র ৬ জন। এই ৬জন শিক্ষক দিয়ে কোনমতে ঢিলেঢালাভাবে চলছে বিদ্যালয়টির পাঠদান কার্যক্রম।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা রুমানা পারভীন জানান, আমি জীববিজ্ঞান বিষয়ের একজন শিক্ষক কিন্তু আমাকে উচ্চতর গনিত, রসায়ন, পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়গুলোরও ক্লাস নিতে হয়। দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা এই সমস্যায় ভুগছি অন্তত বিষয় ভিত্তিক মন্ত্রণালয় নির্ধারিত ১১ জন শিক্ষক হলে আমরা সুষ্ঠুভাবে পাঠদান চালাতে পারি।
বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়টিতে ১১ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও মাত্র ৬ জন শিক্ষক দিয়ে শ্রেণী কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। মাঝে মাঝে কোন শিক্ষক সরকারি কাজে, ব্যক্তিগত কাজে অথবা অসুস্থ হয়ে ছুটিতে থাকলে তখন আরো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তথাপিও যারা রয়েছেন তারা নিরলসভাবে আন্তরিকতার সাথে কাজ করেন।
বিদ্যালয়টির সাবেক ছাত্র বর্তমানে ছাত্র অভিভাবক মো. হায়দার আলী বলেন, আমি এই বিদ্যালয়ের একজন সাবেক ছাত্র। আমি ১৯৯৪ সালে এসএসসি পাশ করেছি তখন বিদ্যালয়টিতে পর্যাপ্ত শিক্ষক ছিল। সববিভাগের ক্লাস নিয়মিত হতো এবং ছাত্রদের কোলাহলে স্কুল প্রাঙ্গণ মুখরিত থাকতো কিন্তু এখন মনেই হয়না এখানে একটি স্কুল রয়েছে। আরেক ছাত্র অভিভাবক আতিকুর রহমান নান্নু বলেন, আমার ছেলে নবম শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। নিয়মিত ক্লাস হয়না তাই স্কুলের রেজাল্টও আশানুরূপ নয়। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের ছয়তলা সুদৃশ্য আধুনিক ভবন নির্মিত হয়েছে কিন্তু শিক্ষক স্বল্পতার কারনে আশানুরূপ ছাত্র নেই।
চাকরিচ্যুত ৯৮৮ কর্মীকে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
রাঙ্গাবালীতে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় গ্রেপ্তার ১