ভুটানের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথমবারের মতো গোলের দেখা পেলেন হামজা চৌধুরী। কর্নার কিক থেকে হেডে দুর্দান্ত এক গোল করে স্বপ্নের মতো অভিষেক স্মরণীয় করে রাখলেন এই ব্রিটিশ-বাংলাদেশি মিডফিল্ডার।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে সোহেল রানা দারুণ এক শটে দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
ম্যাচ শেষে আবেগঘন এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে হামজা চৌধুরী লিখেছেন:
"আলহামদুলিল্লাহ। নিজের ঘরের মাঠে অভিষেক ম্যাচে গোল করতে পেরে গর্বিত। বড় ম্যাচের আগে ছেলেরা দারুণ পারফরম্যান্স করেছে। এত আন্তরিক অভ্যর্থনার জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে ধন্যবাদ। ইনশাআল্লাহ, দেখা হবে মঙ্গলবার রাতে।"
হামজার খেলা নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন কোচ হাভিয়ের কাবরেরা, 'প্রথমার্ধে হামজার ভীষণ প্রভাব ছিল। বিশেষ করে শুরুর দিকে। হামজার মতো খেলোয়াড়ের মাঠে থাকার প্রভাব অবশ্যই দৃশ্যমান হয়ে ওঠে, দল আরও ভালো খেলেছে, এটাই সত্যি।'
ইতালির সেরি ডি’তে খেলা ফরোয়ার্ড ফাহামিদুলকে লেফট উইংয়ে খেলিয়েছেন কাবরেরা। এই তরুণ ফরোয়ার্ড শুরুর জড়তা কাটিয়ে দ্রুতই মানিয়ে নেন দলের সাথে। দলের আক্রমণের সাথে ফাহামিদুলের সংশ্লিষ্টতা মনে ধরেছে কাবরেরার।
'সিঙ্গাপুর ম্যাচের আগে আমাদের অনেক কিছু জানা জরুরি। তার মধ্যে একটি ফাহামিদুলের সামর্থ্য। আমি মনে করি, শুরুতে সে একটু সময় বেশি নিয়েছিল সক্রিয় হতে, কিন্তু এটা আবহ এবং স্নায়ুর চাপের কারণে স্বাভাবিক। কিন্তু দুই-তিনটা পাস টানা দেওয়ার পর সে জড়তা কাটিয়ে উঠল। আমি মনে করি, সে ভালো খেলেছে।'
'বল পায়ে সে ভীষণ মনোযোগী ছিল। প্রাণশক্তি ছিল দারুণ। সে খুব ভালো করেই জানে, আমরা তাকে নিয়ে অনেক কথা বলছি। তার মনোভাব, বল পায়ে থাকা বা না থাকা অবস্থায় তার সক্রিয়তা, সবকিছুর সাথে সংশ্লিষ্টতা…সে যা করেছে, ভালো করেছে। সে যা করেছে, সেটা তাকে পরের ম্যাচে গেম টাইম দিতে পারে।'
আগামী মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
