আমাদের সেবা কার্যক্রম প্রতিপক্ষের ভালো লাগেনি: ইশরাক 

আপডেট : ২৪ জুন ২০২৫, ০৮:৪৩ পিএম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে সন্ত্রাসী হামলায় আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেলে আসেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। মঙ্গলবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে হাসপাতালে আসেন তিনি। 

আহতদের দেখে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ইশরাক হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, নগরভবনসহ আশপাশে যে আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে সেখানে দীর্ঘদিন স্থাবিরতা বিরাজমান ছিল। সেখান থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে আমরা জনগণের সব দৈনন্দিন জরুরি সেবা কার্যক্রম পুরোদমে চালু করেছি। এটা চালু করতে গিয়ে আমাদেরকে নানা ধরনের বাধা বিপত্তিতে পড়তে হয়েছে। সকল কিছু অতিক্রম করে গত দুইদিন যাবৎ সেবা কার্যক্রম চলমান আছে। এটি আমাদের প্রতিপক্ষের ভালো লাগেনি। 

তিনি বলেন, দুপুরে স্বৈরাচারের দোসর নগর ভবনের দুর্নীতিবাজ কতিপয়ের নেতৃত্বে বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে আসে এবং তারা আমার নামে স্লোগান দিয়ে, আমার হয়ে আন্দোলন করা কর্মী সমর্থকদের ওপর হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা করেছে। এরমধ্যে তিনজন মুমূর্ষু অবস্থায় রয়েছে। এটি করার মধ্য দিয়ে তারা এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করেছে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, প্রথমত তারা বিএনপির নামে ও আমার নামে স্লোগান দিয়ে হামলা করে। তারা জনগণকে দেখানোর চেষ্টা করে যে এটি বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ। দ্বিতীয়ত জনগণের সেবাকে বিঘ্ন ঘটিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে বিএনপির উপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। তাদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

তিনি বলেন, এই হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে গোলাম কিবরিয়া রুবেল নামে নগর ভবনের এক কর্মকর্তা ও আরিফুজ্জামান প্রিন্স নামে একজন কর্মচারী। এই দুজনের নেতৃত্বে স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। যারা সাঈদ খোকনের সময়, তাপসের সময় সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছে। তারাই এই হামলা করেছে।

ইশরাক হোসেন বলেন, বর্তমান স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার গাড়িতে চলাফেরা করতো এই রুবেল। নগরভবনে থাকাকালীন বিভিন্ন দুর্নীতি টেন্ডারবাজি করতো। এই ভাগগুলো এইযে নতুন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে যারা বিভিন্ন সরকারি অফিসে গিয়ে টেন্ডারবাজি করছে, তাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে তার অবস্থানটি ঠিক রেখেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রিন্স ও রুবেলকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার যোগসাজশ বেরিয়ে আসবে বলে মনে করি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত