ফ্রান্স সরকার দেশটির সমুদ্র সৈকত ও পাবলিক পার্কে ধূমপান নিষিদ্ধ করেছে, যা রোববার থেকে কার্যকর হয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতি থেকে রক্ষা করা।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, নতুন আইনের আওতায় বাসস্ট্যান্ড, লাইব্রেরি, সুইমিং পুল এবং স্কুলের আশপাশের এলাকাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সরকারি গেজেটে শনিবার বিধান প্রকাশের পরপরই এটি কার্যকর হয়।
এই নিষেধাজ্ঞা ফ্রান্সে স্কুল ছুটির ঠিক এক সপ্তাহ আগে কার্যকর হলো, যেন শিশুদের ভিড় থাকা সৈকতগুলোতে তারা ধোঁয়ার ক্ষতি থেকে রক্ষা পায়।
তবে তামাকবিরোধী কিছু সংগঠন এই নিষেধাজ্ঞাকে যথেষ্ট মনে করছেন না। কারণ, এটি বার ও রেস্তোরাঁর উন্মুক্ত টেরেসে ধূমপানের ওপর কোনো নিষেধ আরোপ করেনি, যেখানে ধূমপান এখনো প্রচলিত।
এছাড়া ই-সিগারেট বা ভ্যাপিংও এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে, যা নিয়েও তারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর আগে ঘোষণা দিয়েছিল মঙ্গলবার থেকে এই আইন কার্যকর হবে, তবে সরকারি গেজেট অনুযায়ী তা একদিন আগে, অর্থাৎ রবিবার থেকেই চালু হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ভবিষ্যতে ধূমপান নিষিদ্ধ এলাকাগুলোর চারপাশে ১০ মিটার পর্যন্ত ন্যূনতম দূরত্ব নির্ধারণ করা হবে এবং সেখানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বসানো হবে।
নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের জন্য ১৩৫ থেকে ৭০০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। তবে নতুন আইন বাস্তবায়নের শুরুতে কিছুটা সময় দেওয়া হবে সচেতনতা তৈরির জন্য।
স্বাস্থ্য ও পরিবার বিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথেরিন ভাউট্রিন বলেন, “যেসব স্থান শিশুদের জন্য, যেমন পার্ক, সৈকত, স্কুল—সেসব জায়গা শেখা, খেলা ও নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য; ধূমপানের জন্য নয়। এসব জায়গা থেকে তামাক নির্মূল করতেই হবে।”
