দেশ রূপান্তরে সংবাদ প্রকাশ

শিবালয়ে যৌথ অভিযোনে ৭০০ নিষিদ্ধ চায়না জাল উদ্ধার 

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৫, ০৪:৪৮ পিএম

দৈনিক দেশ রূপান্তরে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট বিভাগ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযানে নামে। সোমবার (৩০ জুন) উপজেলা প্রসাশন, মৎস্য বিভাগ ও কোস্টগার্ড যৌথ অভিযান চালায়। শিবালয় উজেলার আরিচা ঘাট বাজারের চিহ্নিত কয়েক ব্যবসায়ীর গুদাম ও যমুনা নদী থেকে উদ্ধার করা প্রায় ৭০০ চায়না দুয়ারী উদ্ধার করে পুড়িয়ে দেয়া হয়। এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা। অভিযানের খবরে চিহ্নিত ব্যবসায়ী ও মৎস্য শিকারীরা দ্রুত গা ঢাকা দেয়।

জানা গেছে, পদ্মা-যমুনাবেষ্ঠিত এ উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকায় বিভিন্ন ধরনের মাছ শিকার হয়ে আসছে। চলতি বর্ষা মওসুমে মাছ ধরার জাল ও অন্যান্য সরঞ্জামের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। শুক্ষ নাইলন সুতা ও এক/দেড় ফুট ব্যাসের প্লাস্টিক গোলাকৃতির চাক দিয়ে তৈরি জাল খাল-বিল, নদী-নালায় ব্যবহার করে ছোট-বড় সব আকৃতির মাছ ধরা হয়। মাছের প্রজনন মওসুমে এ জাল ব্যবহারের ফলে মাছের পোনা বা বংশ বৃদ্ধি ব্যহত হয়। এ কারণে সরকার এমন জাল সুতা ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। এ জালের ব্যাপক চাহিদা থাকায় উপজেলার আরিচাঘাট বাজারে খুচরা ও পাইকারি ক্রয়-বিক্রয়ের দোকান গজিয়ে উঠে। রাজবাড়ি, পাবনা, টাঙ্গাইল জেলার নদী তীরবর্তী অনেক জেলে ও সৌখিন মৎস্য শিকারীরা কারেন্ট জাল ব্যবহারে বেশী আগ্রহী। ফলে, এ সব নিষিদ্ধ জাল ক্রয়-বিক্রয়ের দোকান ও ভ্রাম্যমাণ ক্রেতা-বিক্রেতা দেখা যায়। ইতিপূর্বে কয়েক ব্যবসায়ীর জেল-জড়িমানা হলেও অধিকাংশ বহাল তবিয়তে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন জানান, জেলা মৎস্য বিভাগ ও কোস্ট গার্ডের সহায়তায় এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না জাল উদ্ধার ও ধ্বংশ করা হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের আটক করে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান জানান, উপজেলার তেওতা ইউনিয়নে যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০০ নিষিদ্ধ চায়না জাল উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া আরিচাঘাটে কয়েক গুদাম থেকে ৩০০ জাল উদ্ধার করে সব পুড়িয়ে দেওয়া হয়। অভিযান অব্যাহৃত রয়েছে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত