হরিরামপুর থানা

এসআইয়ের বিরুদ্ধে মোবাইল ও ক্যামেরা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ

আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৫, ০৯:৩৮ পিএম

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানার এসআই সায়েম চৌধুরীর বিরুদ্ধে আসামির মোবাইল ও ক্যামেরা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল ও ক্যামেরা ফেরত, নিজের নিরাপত্তা এবং এসআইয়ের শাস্তি দাবি করে হরিরামপুরের ইউএনও বরাবর লিখিত একটি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কাদের দেওয়ান। কাদের দেওয়ান উপজেলার গালা ইউনিয়নের ছয়আনী গালার মৃত লালমদ্দিন দেওয়ানের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাদের দেওয়ানের আত্মীয় স্বজনের বাচ্চাদের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে মোহাম্মদ শাফিজুল ইসলাম নামে তার এক আত্মীয় ১৩ জুন ৯৯৯ কল করে। কল পেয়ে এসআই সায়েম চৌধুরী ফোর্স নিয়ে গেলে তখন কেউ বাড়িতে ছিলেন না। এসময় এসআই সায়েম চৌধুরী বিনা অনুমতিতে কাদের দেওয়ানের ঘরে প্রবেশ করে তার স্ত্রীর ও ছোট ছেলের মোবাইল ফোন, ডিএসএলআর ক্যামেরা নিয়ে যান।

পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে ১৫ জুন বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়। তবে এসআই সায়েম চৌধুরীর কাছে জব্দকৃত মালামাল ফেরত চাইলে তিনি না দিয়ে বরং খারাপ আচরণ করেন। ঘটনা জেনে গালা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শফিক বিশ্বাস ফোনে মালামাল ফেরত দেওয়ার জন্য এসআইকে অনুরোধ করেন। তারপরও মালামাল ফেরত দিচ্ছে না অভিযুক্ত এসআই।

গালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিক বিশ্বাস বলেন, ঘটনা জানার পর মালামাল ফেরত দিতে অনুরোধ করেছিলাম কিন্তু তিনি অনুরোধ রাখেননি। কোনো অভিযোগ বা মামলা না থাকলেও এসআই ক্যামেরাসহ মোবাইল ফেরত না দেওয়ায় শাস্তি দাবি করেছেন।

এসআই সায়েম চৌধুরী বলেন, ৯৯৯-এ কল পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে মালামাল জব্দ করে থানায় এনে রেখেছি। মামলা রুজু হবে বলেই এনে রেখেছিলাম। তবে বাদী থানায় আসেনি। তাই থানায় রেখেছি। বাদীর অভিযোগ না থাকলেও ১৮ দিন রাখতে পারেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তো জব্দমূলে রেখেছি।

হরিরামপুর থানা ওসি মুহাম্মদ মুমিন খান জানান, ক্যামেরা বা ফোন জব্দের তথ্য আমার কাছে নেই। আমি এসআইয়ের সঙ্গে কথা বলবো। মামলার বিষয় না থাকলে কারও ব্যক্তিগত সম্পদ কেউ রাখতে পারে না।

সিংগাইর সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার ফাহিম আসজাদ বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর আক্তার বলেন, আমি অভিযানে রয়েছি। অফিসে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে দেখবো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত