পাল্লেকেলেতে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৫৪ রান। সেখান থেকে বাকি ১৪ ওভারে অর্থাৎ ৮৪ বল খেলে বাংলাদেশ যোগ করতে সক্ষম হয় মাত্র ১০০ রান। তাতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৫৪ রান। এখনকার সময়ে এটা যে কোনো রানই না তাই গতরাতে প্রমাণ করে দেন লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। ৭ উইকেট হাতে রেখে হেসেখেলে বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এ নিয়ে শেষ ১৬ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ১২টিতেই হেরেছেন লিটন দাসরা। আর লঙ্কানদের কাছে হার শেষ ৭ ম্যাচের ৫টিতে।
টস হেরে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ শুরুটা পেয়েছিলো জোরালো। পাওয়ার প্লেতে ১৬ বলে ৫ চার, ১ ছক্কায় দুশোর বেশি স্ট্রাইকরেটে ৩৫ রান করেন পারভেজ হোসেন ইমন একাই। চতুর্থ ওভারে মাহিশ থিকশানাকে চার মারেন তিনটি। তাকে সঙ্গ দেওয়া তানজিদ হাসান তামিম ২ চারে ১৭ বলে ১৬ রান করে ফেরেন পঞ্চম ওভারের শেষ বলে। তখন দলের রান ৪৬। এর পর অধিনায়ক লিটন আসেন ক্রিজে। পাওয়ার প্লে শেষে কমতে থাকে রানের গতি। ৭ম ওভারে আসে ৩ রান। অষ্টম ওভারের শেষ বলে এলবিডব্লিউ হয়ে লিটন যখন ফিরছেন, তার নামের পাশে ১১ বলে ৬ রান। তিন বল যেতেই ইমনকে শিকার বানান থিকশানা। ২২ বলে ১৭২ স্ট্রাইক রেটে করা তার ৩৮ রানই ইনিংস সর্বোচ্চ। ১০৪৫ দিন পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ওয়ানডে মেজাজে খেলে শেষতক ২৯ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন নাঈম শেখ। তাওহীদ হৃদয়ও তাই, ১৩ বলে ১০। মেহেদী মিরাজের ২৩ বলে ২৯ আর শামীম পাটোয়ারীর ২ ছক্কায় ৫ বলে ১৪ রানে দেড়শ পার করে বাংলাদেশ।
রান তাড়ায় লঙ্কানদের হয়ে ৫ চার, ৩ ছক্কায় ২৬২ স্ট্রাইক রেটে পাথুম নিশাঙ্কা ১৬ বলে ৪২ রানের ইনিংস দিয়ে জবাব দেওয়া শুরু করেন। প্রথম ৫ ওভারেই রান ওঠে ৭৮। ম্যাচের নিয়তি তখনই নির্ধারিত হয়ে যায়। এর পর ম্যাচসেরা কুশল মেন্ডিস ৫১ বলে ৭৩ রানের ইনিংসে সারেন বাকি আনুষ্ঠানিকতা।
মাঠে নেমেই ফিফটি করলেন সাকিব
সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে অ্যামেন্ডা